আনসার আল ইসলাম বাংলাদেশ রাবি হত্যার দায় স্বীকার করলেন

    0
    242

    “রাজশাহীতে এক মুরতাদকে কতল করেছেন যে তার ডিপার্টমেন্টে ও ক্লাসে বোরকা পরা নিষিদ্ধ করেছিল। আল্লাহর ইচ্ছায়, আল্লাহর শক্তিতে ও আল্লাহর অনুমতিতে মুজাহিদিনরা আজকে এই মুরতাদকে কতল করেছেন। ইসলাম বিরোধী সকল নাস্তিক-মুরতাদ সাবধান !”

    আমারসিলেট24ডটকম,১৬নভেম্বরঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক একেএম শফিউল ইসলামকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে একটি জঙ্গি সংগঠন। সংগঠনটির নাম ‘আনসার আল ইসলাম বাংলাদেশ-২’।

    ওই হত্যার দায় স্বীকার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পেইজ খুলেছে সংগঠনটি। এতে বলা হয়,আল্লাহু আকবার !আল্লাহু আকবার !আল্লাহু আকবার ! আমাদের মুজাহিদিনরা আজকে রাজশাহীতে এক মুরতাদকে কতল করেছেন যে তার ডিপার্টমেন্টে ও ক্লাসে বোরকা পরা নিষিদ্ধ করেছিল। আল্লাহর ইচ্ছায়, আল্লাহর শক্তিতে ও আল্লাহর অনুমতিতে মুজাহিদিনরা আজকে এই মুরতাদকে কতল করেছেন। ইসলাম বিরোধী সকল নাস্তিক-মুরতাদ সাবধান !

    এতে উল্লেখ করা হয়, দাড়ি কাটা ও পাঞ্জাবি-পাজামা না পড়ার শর্তে শিক্ষক নিয়োগের পর ছাত্রীদের বোরকা না পড়ে ক্লাসে আসতে নির্দেশ দিয়েছে বিভাগীয় সভাপতি একেএম শফিউল ইসলাম। ৩ এপ্রিল ২০১০, দৈনিক সংগ্রাম। ‘আজ এই মুরতাদ তার যথাযত প্রতিদান পেয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ’।

    এতে শফিউল ইসলামের ছবিতে লাল ক্রস চিহ্ন দেয়া একটি ছবিতে অপরাধ এপ্রিল ২০১০, শাস্তি প্রদান-নভেম্বর ২০১৪। We don’t forget. Insha’Allah we will not forget others. উল্লেখ করা হয়।

    এতে আরো বলা হয়, “আল্লাহু আকবার !!! আল্লাহু আকবার !!! আল্লাহু আকবার !!! আমাদের মুজাহিদীনরা আজকে রাজশাহীতে এক মুরতাদকে কতল করেছেন যে তার ডিপার্টমেন্টে ও ক্লাসে বোরকা পরা নিষিদ্ধ করেছিল। আল্লাহর ইচ্ছায়, আল্লাহর শক্তিতে ও আল্লাহর অনুমতিতে মুজাহিদীনরা আজকে এই মুরতাদকে কতল করেছেন। ইসলাম বিরোধী সকল নাস্তিক-মুরতাদ সাবধান !!!”

    এছাড়াও ব্লগার রাজীব হায়দার, আশরাফুল আলম, আসিফ মহিউদ্দন, রাকিব মামুন ও ড. শফিউল ইসলামের ছবি সম্বলিত ওই পেইজের কভার ফটোতে লাল ক্রস চিহ্ন ব্যবহার করে রাজীব হায়দার খতম, আশরাফুল আলম খতম, ড. শফিউল ইসলাম খতম উল্লেখ রয়েছে। আর আসিফ মহিউদ্দন ও রাকিব মামুনের ছবিতে প্রথম প্রচেষ্টা সমাপ্ত, দ্বিতীয় প্রচেষ্ট আসছে লেখা রয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উগ্রবাদী জঙ্গিগোষ্ঠীর কেউ এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে তা ফেসবুকের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে। বিষয়টি খুবই গুরুত্বের সাথে দেখা দরকার।

    এ বিষয়ে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, এ নামের কোন সংগঠন বাস্তবে আছে কিনা তা আমরা ক্ষতিয়ে দেখছি। হত্যার রহস্য আড়াল করতে এই নতুন কৌশল নেয়া হয়েছে কিনা তাও খুব গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।

    ওসি আরো জানান, শফিউলের হত্যাকান্ডে দু’জন অংশ নেয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। রাতে ঘটনার প্রত্যাক্ষদর্শী হাসিব ও দিপু নামের দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে ।