আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসণ করা প্রয়োজন: মেনন

    0
    620

    বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে পুরাতন ঢংএ জনগণের ওপর হরতাল নামক নির্যাতন অস্ত্রটি চাপিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ১৪ দল নেতারা।
    সোমবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১৪ দলের এক সভা শেষে সাংবাদিকদের তারা এ কথা বলেন।
    সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, মোহাম্মদ নাসিম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরিফ নুরুল আম্বিয়া, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শিরিন আখতার, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের নেতা ড. ওয়াজেদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নেতা সুজিত রায় নন্দী,এনামুল হক শামীম প্রমুখ।
    বৈঠক সুত্র জানায়, দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের সহিংস কর্মকান্ড ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, আগামী নির্বাচনের কৌশলসহ চলমান রাজনীতি নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত শিবিরের নৈরাজ্যের কারণে যে সকল এলাকায় সংখ্যালঘুদের বাড়ি ঘর ও মন্দির পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে এবং ভাঙ্গচুর চালানো হয়েছে সেই সকল এলাকায় পরিদর্শনে যাবে ১৪ দলের নেতারা। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১৪ মার্চ বগুড়া এবং ১৬ মার্চ জয়পুর হাট পরিদর্শন করবে।
    আওয়ামী লীগ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বিএনপি নিজেরাই কয়েকটা পটকা ফুটিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হরতাল দিয়েছে। পটকা ফুটানোর ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জড়িত ছিল না।
    তিনি বলেন, ‘বিএনপি আজকে যা করেছে তা কোন রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যে পড়ে না। বর্তমানে বিএনপি’র রাজনৈতিক তৎপরতা নেই, তারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে নিয়োজিত রয়েছে। হরতালের নামে তারা নৈরাজ্যের পথ বেছে নিয়েছে।
    বিএনপি নেতাদের গ্রেফতার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে নাসিম বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যুক্তিসংগত কারণেই তাদের গ্রেফতার করেছে। নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে তারা যে কাউকেই গ্রেফতার করতে পারে।
    বর্তমান সংকট নিয়ে বিএনপি’র সঙ্গে আলোচনা বসা হবে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির মূল উদ্দেশ্য ৭১’রের ঘাতকদের রক্ষা করা। তারা এ নিয়ে আলোচনা করতে চায়। ঘাতকদের মুক্তির প্রশ্নে আলোচনা হতে পারে না। যখন যাকে পাওয়া যাবে তারই বিচার হবে। কোন যুদ্ধাপরাধী বাংলার মাটিতে বিচারের বাইরে থাকবে না।
    ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, বিএনপির আলোচনার কোন মনোভাব নেই। আলোচনার ইচ্ছা থাকলে গ্রেফতার কোন বিষয় নয়। আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসণ করা প্রয়োজন বলেও মনে করে

    আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসণ করা প্রয়োজন: মেনন
    আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসণ করা প্রয়োজন: মেনন

    ন তিনি।