ইজ্জত বিক্রি করি আমি বাপের নাম বলার দরকারটা কি?

    1
    1150

    আমারসিলেট24ডটকম,২৩মেঃ পবিত্র সিলেটের বিভিন্ন শহর উপশহরে এমনকি উপজেলা শহরেও নানা কৌশলে চলছে রমরমা যৌন ব্যবসা। আর এ ব্যবসায়জড়িয়ে রয়েছে নিম্ন বিত্ত  থেকে উচ্চ পর্যায়ের পরিবারের মেয়েরাও। তবে কেউজড়িয়েছেন টাকার জন্য, আর কেউবা জড়িয়েছে যৌন সুখ বা মনোরঞ্জন করতে। তবেএক্ষেত্রে মনোরঞ্জন করতে বেশির ভাগ মেয়েরাই সমভ্রান্ত পরিবার থেকে আসছে।আবার তারা যৌন ব্যবসায় নিজ এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকাতে হোম সার্ভিস দেন বলেও জানা যায়। এপ্রসঙ্গে কৌশল করে জানতে চাওয়া হলে এক যৌনকর্মী এফ (ছদ্ম নাম) জানায়, হোটেলে উঠলে পুলিশ হয়রানি করে টাকাও দিতে হয়, আবার নিয়মিত তাদের সময় দেওয়া লাগে আর টাকা না দিলে সাংবাদিকের মাধ্যমে ছবি তুলে পত্রিকার দেওয়ার হুমকি দেয়। কখনো কখনো কারো কারো বন্ধুদের সাথেও বিনা পয়সায় সময় দিতে হয়।

    অপরদিকে গ্রামেবা শহরের ফ্ল্যাট বাড়িতে রয়েছে স্থানীয় বকাটেদের উৎপাত।তাদের কাছে ধরা পড়লে টাকা,দেহ তো দিতেই হয়। কেহ কেহ ভিডিও করে রাখে পরে এর উছিলায় নিয়মিত ব্যবহার করতে চায় নতুবা ভিডিও প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকি দেয়।তাদের মাসোহারা সুবিধা না দিলে নিস্তার নাই।তবে হোম সার্ভিসে এতটা সমস্যা হয় না।হোম সার্ভিসটা কি জানতে চাইলে এক্স বলে হোম সার্ভিসে সবচেয়ে নিরাপদ হচ্ছে খদ্দেরের নিজ বাসায় তাদের ভাষায় গেষ্ট হিসেবে সেজে গোঁজে খদ্দেরের কল পেলে আমরা তার বাসায় চলে যাই।অনেক গুলো হোটেল মোটেল আছে সেখানেও যেতে হয় তবে দামি রেস্ট হাওজ ছাড়া এতটা নিরাপদ না। রেস্ট হাওজে গেলে নাম জিগায় বাপের নাম,গ্রামের নাম,ইজ্জত বিক্রি করি আমি বাপের নাম বলার দরকারটা কি? রেস্ট হাওজওলা,হোটেল ওলা সব জানে তার পরেও মিছা কথা কয়তে হয় বলে জানান আরেক যৌন কর্মী
    এল(ছদ্ম নাম)।অন্য একজনজানান, এক রেস্ট হাওজে নিয়মিত যাতায়াত ছিল তার। কিন্তু সেখানে কমিশনদিতে হয়, তাদের অন্যান্য চাহিদায়ও সাড়া দিতে হতো। এমতাবস্থায়বাধ্য হয়েই তাকে বেছে নিতে হয়েছে হোম সার্ভিস। তার মতো অনেক যৌনকর্মীনানাভাবে তাদের পেশাকে বিস্তৃত না করে তারা যুক্ত হয়েছে হোম সার্ভিসে। তাদের ভাষায় বুঝা যাচ্ছে,এ পেশার নেপথ্যেও রয়েছে একটি শক্তিশালী দালাল চক্র সে স্বীকার করেছে তার কাছে ৩ শতাদিক মোবাইল নাম্বার আছে যাদের বেশিরভাগই বৃহত্তর সিলেটের বিভিন্ন (চলবে)