ইমরুল কায়েসের হত্যার প্রতিবাদে নড়াইলে দুদিনের হরতাল

    0
    224

    আমারসিলেট24ডটকম,২০জানুয়ারী,সুজয় কুমার বকসীঃ নড়াইল পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা ইমরুল কায়েস ঢাকায় মতিঝিল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার প্রতিবাদে নড়াইলে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে জেলা জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত এ হরতালের ডাক দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা জামায়াতের প্রচার সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

    এদিকে, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শহরের ডুমুরতলা ঈদগাহ মাঠে নিহত ইমরুল কায়েসের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নিহত ইমরুল কায়েসের পরিবারের পক্ষ থেকে তার ডুমুরতলার বাড়িতে তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইমরুল কায়েসের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার দু’দিন আগে ডিবি পরিচয়ে ঢাকা থেকে ইমরুল কায়েসকে আটক করা হয়। এরপর সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ভোরের দিকে মতিঝিল এজিবি কলোনীর কাঁচাবাজার এলাকায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ইমরুল কায়েস নিহত হন জানা যায়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার স্বামী ইমরুল কায়েসকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে বলে স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস দাবি করেছেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

    পরিবারের সদস্যরা জানান, ইমরুল কায়েস গত ১৪ জানুয়ারি এলএলবি ফাইনাল পরীক্ষার জন্য ঢাকায় যান এবং সেখানে তার এক বন্ধুর বাসায় ওঠেন। পরেরদিন দিবাগত রাতে তার বন্ধুর বাসা থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর ইমরুলের সাথে পরিবারের লোকজন যোগাযোগ করতে পারেননি।

    নড়াইল সদর থানার ওসি (তদন্ত) দেলোয়ার হোসেন জানান, ২০১৩ সালের ১১ ডিসেম্বর নড়াইলে হরতাল অবরোধের সময় পৌরসভার ডুমুরতলা এলাকায় ইমরুল কায়েসের নেতৃত্বে অবরোধকারিরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলায় নড়াইল সদর থানার তৎকালিন ওসি ( তদন্ত ) মোক্তার হোসেন গুরুতর আহত হন। নিহত কায়েসের বিরুদ্ধে নড়াইল থানায় মোট ৯টি মামলা আছে বলে তিনি জানান।