ইরাকে জনশক্তি রপ্তানি আপাততস্থগিতঃপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

    1
    272

    আমারসিলেট24ডটকম, ১৫জুনঃসংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ থেকে ইরাকে জনশক্তি রপ্তানি আপাততস্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার৷ পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত দেশটিতেকোনো জনশক্তি পাঠানো হবে না বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে৷

    বাংলাদেশ মনে করে ইরাকে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে৷ তাইপরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত সেখানে বাংলাদেশ থেকে কোনো জনশক্তিপাঠানো হবে না৷ পররাষ্ট্র দফতরের ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জনশক্তি রফতানির কাজ যে অবস্থায় আছে ঠিক সেখান থেকেই স্থগিত রাখতে হবে৷

    বাংলাদেশের ১৪ হাজার নাগরিক এখন ইরাকে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছেন৷ তারাপ্রধানত নির্মাণ শিল্পে কাজ করেন৷ তাদের সার্বক্ষণিকভাবে বাংলাদেশদূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে৷ আর তাদের সংঘাতপূর্ণএলাকা এড়িযে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে৷ তবে সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাএখন পর্যন্ত নিরাপদ এবং সুস্থ আছেন বলে পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে৷

    গত বছর বাংলাদেশ থেকে ইরাকে ৩০হাজার জনশক্তি পাঠানোর জন্য একটি সমঝোতাস্মারক সই হয়েছিল দুই দেশের মধ্যে৷ পররাষ্ট্র দফতর জানায়, নিরাপত্তানিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ওই শ্রমিক পাঠানোরও সব প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে৷

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইরাকে বাংলাদেশি দূতাবাস পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিকনজর রাখছে৷ আর বাংলাদেশ সরকারও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে৷ বাংলাদেশ আশাকরছে ইরাক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তায় পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠবে৷ সেখানেসব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে একটি স্বার্থক সংলাপের প্রয়োজন বলে মনে করে বাংলাদেশসরকার৷

    এদিকে ইরাকে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা টেলিফোনে তাদের ভয় এবং আতঙ্কেরকথা জানান৷ জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রার মহাসচিব আলী হয়াদার চৌধুরীডয়চে ভেলেকে জানান, সেখানে অবস্থানরতদের বড় একটি অংশই বাগদাদে রয়েছেন৷ তবেবাগদাদ আক্রান্ত হলে তাদের নিরাপত্তার কী হবে, তাদের কিভাবে সরিয়ে নেয়া হবেতা তারা জানেন না৷ বিশেষ করে মসুল ও তিকরিক দখলের সময় সেসব এলাকায়অবস্থানরত বাংলাদেশিরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে দেশে আত্মীয়-স্বজনের কাছে ফোন করেনবলে তিনি জানান৷ তারা অনেকেই এখন দেশে ফিরতে চাইছেন৷সূত্রঃওয়েবসাইট।