ইসলামের কারণেই এইসব ঘটনাঃদাবির কোনো প্রমাণ নেই

    1
    308

    আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২২ফেব্রুয়ারী: পশ্চিমা তরুণদের উদ্দেশে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক চিঠির প্রশংসা করেছেন সাবেক মার্কিন সহকারী অর্থমন্ত্রী পল ক্রেইগ রবার্টস।

    তিনি বলেছেন, পশ্চিমা রাজনীতিবিদরা ও গণমাধ্যমগুলো ইসলাম সম্পর্কে যে ভয়ানক চিত্র তুলে ধরছেন তার সঙ্গে প্রকৃত ইসলামের যে পার্থক্য রয়েছে সে বিষয়ে পশ্চিমা যুব সমাজকে সচেতন করে তোলার প্রচেষ্টা চালিয়েছেন ইরানের আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী। এ প্রচেষ্টা সম্মান পাওয়ার যোগ্য বিষয় বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

    ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাবেক সম্পাদক পল ক্রেইগ রবার্টস আরো বলেছেন, উদ্বেগজনক ব্যাপার হলো, পশ্চিমা প্রচার মাধ্যমগুলো এতো হৈ-চৈ করছে যে তার ফলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বাণী ভালোভাবে শোনা যাচ্ছে না। ইসলাম ও ইরান-বিরোধী পরিবেশে এবং পশ্চিমাদের মিথ্যাচার ও প্রচারণার মোকাবেলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই বাণী কতোটা প্রভাব ফেলবে তা এখন দেখার বিষয় বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

    রবার্টস আরো বলেছেন, পাশ্চাত্যের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মদদে ইসলামের নামে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানো সম্ভব, আর এরপর বিশ্বের মানুষকে বলা হয় যে, ইসলামের কারণেই এইসব ঘটনা ঘটছে! অথচ এইসব দাবির কোনো প্রমাণ নেই।

    গত ২১ জানুয়ারি (২০১৫) বিশ্বের সংবাদ ও গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত হয় পশ্চিমা যুব সমাজের কাছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঐতিহাসিক বাণী। অনন্য এই বাণী বিশ্বব্যাপী যুক্তিবাদী ও চিন্তাশীল মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। প্যারিসে শার্লি এবদো নামের একটি রম্য-পত্রিকার অফিসে রহস্যজনক হামলার অজুহাতে ওই পত্রিকায় মহানবী (দঃ)’র প্রতি একটি অবমাননাকর কার্টুন প্রকাশের পটভূমিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এই বাণী পাঠান।

    তিনি বলেছেন, ‘ইসলাম আতঙ্ক’ থেকে পালিয়ে না গিয়ে এ ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা উচিত। তিনি আরো বলেছেন, মুসলমানদের ব্যাপারে আতঙ্ক তৈরি করে তা থেকে রাজনৈতিক সুবিধা আদায় পাশ্চাত্যের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য।

    পশ্চিমা প্রচার মাধ্যমগুলো ও ইহুদিবাদীদের নিয়ন্ত্রিত সংবাদ এবং প্রচারযন্ত্রগুলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই ঐতিহাসিক বাণীকে নিজেদের ইচ্ছেমত কাটছাঁট করে বা কম গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা এই ঐতিহাসিক বাণীর ব্যাপক প্রচার রুখতে ব্যর্থ হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই বাণী প্রকাশিত হওয়ার পর মাত্র এক সপ্তাহ’র মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে তা এক কোটি ষাট লাখ বার শেয়ার হয়েছে।ইরনা