কিশোরগঞ্জের রাজাকার এডভোকেট শামছুদ্দিন কারাগারে

    0
    220

    আমারসিলেট24ডটকম,নভেম্বরকিশোরগঞ্জের রাজাকার এডভোকেট শামছুদ্দিন আহমেদ কারাগারে। যুদ্ধাপরাধের মামলায় তাকে কিশোরগঞ্জের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ময়মনসিংহের নান্দাইল বাস কাউন্টার থেকে আটক করে আজ শুক্রবার কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট এসএম রাজিবুল হাসানের আদালতে হাজির করলে তাকে কিশোরগঞ্জের কারাগারে পাঠানো হয়।
    প্রসঙ্গত করিমগঞ্জের ঢুলিপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রজ্জাক মুন্সির দুই ছেলে ক্যাপ্টেন (অব.) নাছিরউদ্দিন আহম্মেদ (৬২) ও শামসুদ্দিন আহমেদের (৬০) বিরুদ্ধে বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রসিকিউশনের কাছে তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে একত্তরে হত্যা, নির্যাতন ও লুটপাটের ৫টি অভিযোগে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হলে ট্রাইবুনাল থেকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ফলে এদিনই রাত ৮টায় তাকে পুলিশ ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করে।
    দুই সহোদরের বিরুেেদ্ধ আনীত অভিযোগে বলা হয়েছে, একাত্তরের ২৭ অক্টোবর করিমগঞ্জের আয়লা গ্রামে নাছিরউদ্দিন ও শামছুদ্দিনের নেতৃত্বে রাজাকার বাহিনী লুটপাট, নির্যাতন ও একজন মুক্তিযোদ্ধার বাবা আব্দুল বারেকসহ মো. হাবিবুল্লাহ, শেখ চান্দু মিয়া, শেখ মালেক, আফতাবউদ্দিন, সিরাজউদ্দিন, আব্দুল জব্বার ও আব্দুল মালেককে গুলি করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া হত্যা ও লুটপাটের আরো ৪টি অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে একাত্তরের ৭ সেপ্টেম্বর করিমগঞ্জের রামনগর গ্রামে গ্রেফতারকৃত সামছুদ্দিনের নেতৃত্বে তার সহপাঠী পরেশ চন্দ্র সরকারকে আটক করে নির্যাতনের পর গুলি করে হত্যা করা হয়।
    শামছুদ্দিন কিশোরগঞ্জ আদালতে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। তার বড়ভাই নাছিরউদ্দিন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবসরপ্রাপ্ত অনারারি ক্যাপ্টেন। ২০০২ সালের ১৩ জানুয়ারি তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া হয়। তবে সামছুদ্দিন গ্রেফতার হলেও নাছিরউদ্দিন পলাতক রয়েছেন। করিমগঞ্জের আয়লা গ্রামের মিয়া হোসেন হত্যা মামলার বাদী শহীদের ছেলে গোলাপ মিয়া সামছুদ্দিনের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, নাছিরউদ্দিন ও সামছুদ্দিনের ফাঁসি দেখে যেতে পারলে তার পরিবার শান্তি পাবে।