কেবল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াই উন্নয়ন নিশ্চিত করেঃপ্রধানমন্ত্রী

    1
    949

    আমারসিলেট24ডটকম,২৬মেঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও নিরবচ্ছিন্ন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ারওপর জোর দিয়ে বলেছেন, কেবল এটাই কোন দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে। তিনিবলেন, আমি মনে করি কেবল নিরবচ্ছিন্ন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াই কোন দেশেরউন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে। আজ সোমবার সকালে জাপানের আকাসাকা প্রাসাদেজাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি লীগের সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকে বক্তৃতাকালেতিনি এ কথা বলেন। জাপান পার্লামেন্টের হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ সদস্য তাকিওকাওয়ামুরা জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্ট লীগের সদস্যদের নেতৃত্ব দেন। বৈঠকশেষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল সাংবাদিকদের এ কথাজানান।
    শাকিল বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, দুদেশেরআইনপ্রণেতারা বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো সুসংহত করারজন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছেগণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুদৃঢ়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনগণেরক্ষমতায়নের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করা।
    প্রধানমন্ত্রীবলেন, তার সরকার দেশের ঐতিহ্যবাহী ধর্মনিরপেক্ষতা ও সকল ধর্মের মানুষেরসমান অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনেও কঠোর পরিশ্রমকরে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য জিডিপির হার ২০১৫ সালের মধ্যে ৮শতাংশ ও ২০১৭ সালের মধ্যে ১০ শতাংশে উন্নীত করা। এই হার ধরে রেখে ২০২১সালের মধ্যে আমরা দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে চাই।
    শেখ হাসিনাবলেন, ২০১২-১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১৩৩বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশী এবং বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ দঁড়ায় ২০ বিলিয়নমার্কিন ডলার। তিনি বলেন, আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতি স্থিতিশীল এবং সকলঅর্থনৈতিক সূচক ইতিবাচক অগ্রগতির ধারায় রয়েছে। তিনি আরো বলেন, গোল্ডম্যানশ্যাসের মতে বাংলাদেশ তাদের ‘পরবর্তী এগারো’ দেশের তালিকায় এবং জেপি মরগানতাদের প্রথম ৫ দেশের তালিকায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এ সময়বাংলাদেশ-জাপান বন্ধুত্ব জোরদারের অঙ্গীকারের জন্য জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয়লীগের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
    ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধেজাপানের জনগণের সমর্থনের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী কয়েকটি দেশের মধ্যে জাপান অন্যতম।তারা স্বাধীনতার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমাদেরস্বীকৃতি দেয়। তিনি বলেন, জাপানের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের অক্টোবরে এদেশ সফরে আসেন।তিনি আরো বলেন, তার ওই ঐতিহাসিক সফরের মাধ্যমেই দুদেশের মধ্যকার সম্পর্কসুদৃঢ় হয় এবং সেই থেকে জাপান বাংলাদেশের একনিষ্ঠ উন্নয়ন অংশীদার ও বিশ্বস্তবন্ধু। সুত্রঃ ইন্টারনেট।