চে’র মৃত্যু ঘটালেও সাম্রাজ্যবাদ রেহাই পায় নাই:মেনন

    0
    315

    আমারসিলেট 24ডটকম,০৯অক্টোবর :“চে’র  মৃত্যু ঘটালেও সাম্রাজ্যবাদ রেহাই পায় নাই। বিশ্বব্যাপী তারা ঘৃণিতই কেবল নয়, জনগণের প্রতিরোধের মুখে রয়েছে। চে’র আদর্শে অনুপ্রাণিত বাংলাদেশের যুব শক্তিও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে একরোখা মনোভাব নিয়ে এগুবে, এটাই তাদের কাছ আমার প্রত্যাশা।”
    আজ ৯ অক্টোবর বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর উদ্যোগে সেগুন বাগিচাস্থ মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর উন্মুক্ত মঞ্চে অমর বিপ্লবী চে গুয়েভারার ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি একথা বলেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন যুব মৈত্রীর সভাপতি মোস্তফা আলমগীর রতন।
    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট নাট্যকার মামুনুর রশীদ, বিশিষ্ট গণসংঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীর, যুব মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক সাব্বাহ্ আলী খান কলিন্স প্রমুখ। আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, চে গুয়েভারার ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এদেশের যুব সমাজকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সংগঠিত হয়ে এদেশের অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাজনীতি ধারা এগিয়ে নিতে হবে। বেকারত্ব মুক্ত শোষণহীন সমাজ নির্মাণে অমর বিপ্লবী চে গুয়েভারার জীবন থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে এবং চে এর জীবন আদর্শ যুব সমাজকে লালন করে দাবী প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এগিয়ে নিতে হবে। আলোচনা সভা শেষে ঋষিজ শিল্পগোষ্ঠীর উদ্যোগে গণসঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।
    প্রধান অতিথির ভাষণে  রাশেদ খান মেনন আরো বলেন, বাংলাদেশের যুব শক্তিকে চে’র বিপ্লবী আদর্শে উজ্জীবিত করে সমাজ বিপ্লবের সংগ্রামে আত্মনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ যুব মৈত্রী চে’র বিপ্লবী মন্ত্রে শিক্ষা-দীক্ষা নিয়ে মানবমুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করতে হবে।
     আব্দুল আলীমের যাবজ্জীবন রায়ে যুব মৈত্রীর অসন্তোস প্রকাশ
    মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রী  আব্দুল আলীম এর বিরুদ্ধে দায়ের করা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে গঠিত বিশেষ ট্রাইবুনাল আজ আব্দুল আলীমকে যাবজ্জীবন রায়ে দন্ডীত করেছে। যাহা বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্খা পূরণ হয় না। বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর সভাপতি মোস্তফা আলমগীর রতন ও সাধারণ সম্পাদক সাব্বাহ্ আলী খান কলিন্স এক প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আমরা আশা করব বিশেষ ট্রাইবুনালে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন-ই লড়াইরত বিজ্ঞ আইনজীবিগণ এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল এবং রাজাকার আব্দুল আলীমের একাত্তরের সংঘঠিত অপরাধের সর্বচ্চো শাস্তি নিশ্চিতের উদ্যোগ নেবেন। নেতৃবৃন্দ সকল যুদ্ধাপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।