ছয় মাসের জামিন পেলেন মির্জা ফখরুল

    0
    359
    ছয় মাসের জামিন পেলেন মির্জা ফখরুল
    ছয় মাসের জামিন পেলেন মির্জা ফখরুল

    ঢাকা, ০৫ মে : রাজধানীর মালিবাগ, মৌচাক ও সিদ্ধেশ্বরীতে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পাঁচ মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ছয় জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ রবিবার আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের বেঞ্চ ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি ফখরুলকে কেন নিয়মিত জামিন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে একটি রুলও জারি করেছে আদালত ।
    গত ২২ এপ্রিল ফখরুল এ পাঁচ মামলায় জামিন আবেদন দাখিল করেন। আবেদনগুলো শুনানির জন্য গত ২৮ এপ্রিল বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের আদালতের কার্যতালিকায়ও আসে। কিন্তু টেলিভিশন টক শোতে ফখরুলের এক আইনজীবীর মন্তব্যের জের ধরে ওই আদালতের কনিষ্ঠ বিচারপতি জামিন আবেদন শুনতে বিব্রতবোধ করেন।এরপর আবেদনগুলো নিয়ম অনুসারে প্রধান বিচারপতি দপ্তরে চলে যায়। সেখান থেকে শুনানির জন্য পাঠানো হয় বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের বেঞ্চে।
    আদালতে ফখরুলের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। তাদের সহায়তা করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এএসএম নাজমুল হক।
    গত ২ মার্চ মালিবাগে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পল্টন থানায় দুটি, রমনা থানায় দুটি এবং শাহজাহানপুর থানায় দুটি মামলা হয়। এর সবগুলোতেই ফখরুলকে আসামি করা হয়। এ সব মামলায় গত ১০ মার্চ ফখরুল উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন পেলেও ৭ এপ্রিল হাকিম আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়। এরপর দায়রা আদালতেও ফখরুলের জামিন আবেদন নাকচ হয়ে যায়।
    ওই মামলাগুলোতে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এমপি,  গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও যুবদলের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ছাড়াও আসামি করা হয়েছে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ ৩৮ নেতাকে। রমনা থানার এসআই আলী হোসেন বাদী হয়ে গাড়ি ভাংচুর ও এসআই আশফাক গাড়ি পোড়ানোর মামলা করেন। এ দুই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরো সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে আসামি দেখানো হয়েছে।