জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লেখালেখিই কি অভিজিৎ হত্যার কারণ ?

    0
    219

    আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭ফেব্রুয়ারীঃ ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যার দুই ঘণ্টার মধ্যেই আনসার বাংলা সেভেন নামের টুইটার একাউন্ট থেকে হত্যার দায় স্বীকার করা হয়েছে।

    টুইটার বার্তাটিতে লেখা আছে, “জয় নোজ নো বাউন্ডস, ভিআইপি টার্গেট ইজ ডাউন ইন ঢাকা।”

    অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন ধরনের হুমকি পেয়ে আসছিলেন মুক্তমনা ব্লগের এই প্রতিষ্ঠাতা। তার সহযোদ্ধারাও জানতেন এই হুমকির কথা। সাম্প্রদায়িকতা-মৌলবাদ-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত লেখালেখিই হত্যার কারণ বলে মনে করছেন তার সহযোদ্ধারা।

    হুমকির প্রমাণ রয়েছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। দুই বছর আগে ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ফারাবী শফিউর রহমান। রাজীব হায়দারের জানাজা পড়ানো ইমামকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন এই ফারাবী। পরে জামিনে ছাড়া পায় ফারাবী।

    ফারাবীর ফেসবুক একাউন্টে গিয়ে দেখা যায়, ২০১৪ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এক ফেসবুক স্ট্যাটাসের মন্তব্যে অভিজিৎ রায় দেশে ফিরলেই তাকে হত্যা করা হবে বলে ফারাবী হুমকি দিয়েছে। তার সেই স্ট্যাটাসে আরো অনেকেই ফারাবীর সঙ্গে একমত পোষণ করে মন্তব্যও করেন।

    এর এক মাস পরই ফারাবীর হুমকিতে অভিজিতের একটি বইয়ের নাম সরিয়ে নেয় অনলাইনে বই বিক্রির ওয়েবসাইট রকমারি ডটকম।

    জঙ্গি সম্পৃক্ততার সব ধরনের সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সহকারি পুলিশ কমিশনার শিবলী নোমান।

    বৃহস্পতিবার রাতে অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় খুন হন অভিজিৎ। অভিজিতের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রাফিদা আহমেদ। স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় তিনিও গুরুতর আহত হন।ওয়েবসাইট