জৈন্তাপুরের চিকনাগুলে বসতবাড়ীতে হামলা ও ভাংচুর-অগ্নিসংযোগে শিশুসহ আহত-১৫

0
140
জৈন্তাপুরের চিকনাগুলে বসতবাড়ীতে হামলা ও ভাংচুর-অগ্নিসংযোগে শিশুসহ আহত-১৫

মো. রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেট গ্যাস ফিল্ডের কর্মকর্তা নিহতের ঘটনার জের ধরে জৈন্তাপুরের চিকনাগুলে প্রতিপক্ষের বসতবাড়ীতে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এই ঘটনায় শিশু সহ ১৫ জন আহত হন।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিগত ১৩ জুন রাতে ডিআই গাড়ী চাপায় সিলেট গ্যাস ফিল্ডের কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন হত্যা করা হয়। হত্যার ঘটনায় সিদ্দেক আলী, মরম আলী, তাহির আলী গংদের বিরুদ্ধে মামলা করে ময়নুল হোসেনের পরিবার।

গতকাল হত্যার ঘটনায় মামলার বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকাল ৩টায় উমনপুর জামে মসজিদে বৈঠকে বসে গ্রমবাসী। বৈঠকে কথা কাটাকাটি এক পর্যায়ে নিহত মঈনুল হোসেন পরিবারের পক্ষালম্বন করে উত্তেজিত জনতা উমনপুর গ্রামের সিদ্দেক আলী, মরম আলী, তাহির আলীর বসত বাড়ীতে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
এ ঘটনায় দু’টি বসতঘরে অগ্নিসংযোগ, ৩টি বসতঘর ভাংচুর, ১টি মোটর সাইকেল পুড়িয়ে ফেলা হয়। হামলায় শিশু, নারী-পুরুষ সহ ১৫ জন আহত হয়েছেন।

আহতরা হল- শিশু রিহান আহমেদ (২), মরম আলী (৭০), জুহরা বেগম (৬৫), পারভীন বেগম (৪০), আলবেলা বেগম (৩৮), ফাহিমা বেগম (৩৮), হাসিনা বেগম (৪৫), কুলছুমা বেগম (৪০), তানজিনা বেগম (১২), মারজানা বেগম (১৯), আবিদা বেগম (৪), সোহাগ আহমদ (৭), হাম্মাদ (১৭), সাকিব হাসান (১৪), সাইদ আহমদ (১৫)।

এদিকে হামলার ঘটনার খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফুল আলমের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স এবং পাশ্ববর্তী গ্রামের লোকজন এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে।

জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম জানান, বসতবাড়ীতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের ঘটনায় আহতরা সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, ভাইস চেয়ারম্যান সাহাদ উদ্দিন সাদ্দাম, চিকনাগুল ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান চৌধুরী, ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ হামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।