জৈন্তাপুরে মুক্তারুল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনে পিবিআই এর হাতে গ্রেফতার-১

0
26
জৈন্তাপুরে মুক্তারুল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনে পিবিআই এর হাতে গ্রেফতার-১

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুরে মুক্তারুল হক হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন এবং মামলার ঘটনায় ইফতেখার রশিদ মাহি (২২) কে গ্রেফতার করে পিবিআই পুলিশ।

পিবিআই পুলিশ সূত্রে জানাযায়, ২০২২ সনের ৪ ডিসেম্বর সকাল ৭টায় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের তেলীজুরী গ্রামের রহমত আলীর ছেলে প্রাইভেট টিচার মুক্তারুল হক (৩৬) এর মৃতদেহ নিজবাড়ির নিকটবর্তী রাস্তার পাশের জমিতে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

এই ঘটনায় নিহতের পিতা রহমত আলী বাদী হয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় ৬জন নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে পূর্ব বিরোধের জের ধরে হত্যাকান্ড সংঘটিত হয় মর্মে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

কিছুদিন থানা পুলিশ তদন্ত করার পর মামলাটি পিবিআই সিলেটে হস্তান্তর হয়। পরবর্তীতে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বিপিএম (বার), পিপিএম, অ্যাডিশনাল আইজিপির তত্ত্বাবধানে পিবিআই সিলেট জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামানের নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (উপ-পুলিশ পরিদর্শক) এসআই ঝলক মোহন্ত তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করেন।

১৩ মে পিবিআই ঢাকা মহানগরের মালিবাগ চৌধুরীপাড়াস্থ একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে অভিযান পরিচালনা করে মুক্তারুল হক হত্যাকান্ডের প্রকৃত আসামী দরবস্ত তেলীজুরী গ্রামের বজলুর রশিদ শামীমের ছেলে ইফতেখার রশিদ মাহি (২২) কে গ্রেফতার করে সিলেটে নিয়ে আসে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুক্তারুল হত্যার ঘটনা স্বীকার করে।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান প্রেসরিলিজে মাধ্যমে সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ১৪ মে গ্রেফতারকৃত ইফতেখার রশীদ মাহিকে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেন এর আদালতে হাজির করা হলে সে, ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মতে হত্যাকান্ডের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করে। আদালত মাহিকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।