জৈন্তাপুরে সরকারি টিলা জমি দখল করে চলাচলের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতায় পরিবেশে হুমকির মূখে

0
29
জৈন্তাপুরে সরকারি টিলা জমি দখল করে চলাচলের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতায় পরিবেশে হুমকির মূখে

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ফুরকান আলীর ছেলে মো. আব্দুল খালিক পরিবেশের ছাড়পত্র ও ভূমি বন্দোবস্ত না নিয়ে সরকারি পাহড় শ্রেনীর ভূমি কর্তন করে বাড়ী ঘর তৈরি করছেন।
একই সাথে ১৫-২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি কৌশলে বন্ধ করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন মর্মে এলাকাবাসীর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরজমিন ১১ মে-২০২৪ পর্যন্ত ঘুরে জানা যায়, দীর্ঘদিন হতে সরকারি পাহাড় শ্রেণীর ভূক্ত জমি দখল করে এলাকার লোকজন বসবাস করে আসছে। অতি সম্প্রতি ফুরকান আলীর ছেলে মো. আব্দুল খালিক এলাকাবাসীর চলাচলের রস্তায় প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে পাহাড় কেটে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে বাড়ী ঘর তৈরী করছেন। যার কারনে হর্নি গ্রামের ১৫-২০টি পরিবারের স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী সহ গ্রামের মানুষের চলাচলের রাস্তাটির মারাত্বক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।

হর্নি গ্রামবাসীর পক্ষে মো. আব্দুল মালিক বাদী হয়ে পরিবেশের ক্ষতি সাধন বন্ধ এবং এলাকাবাসীর চলাচলের রাস্তা অবমুক্ত করার জন্য জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবরে লিখিত আবেদন করেন বলে প্রতিবেদককে জানান।

এলাকার বসিন্ধা মুহিবুর রহমান, আলাউর রহমান সহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, আমরা বিগত ৪০ বছর যাবত এই রান্তাটি ব্যবহার করে আসছি। সম্প্রতি আব্দুল খালিক পেশি শক্তির প্রভাব বিস্তার করে গ্রামবাসীর চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছেন এবং পরিবেশের মারাত্বক ক্ষতি সাধন করছেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংঘাতে না জড়িয়ে প্রশাসনের সহায়তা জন্য লিখিত আবেদন করেছি।

বর্তমানে রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গেলে গ্রামবাসীকে মামলা হামলার ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ গালাগাল করছেন। যার কারনে যে কোন সময় অপ্রিতিকর ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য সিলেটের লালাখাল এলাকাটি বাংলাদের শ্রেষ্ঠ বৃষ্টিপাতের অঞ্চল, এখান টানা বৃষ্টি হয়। ফলে পাহাড় ধর্ষের ঘটনা অহরহ ঘটে। পাহড় ধর্ষের কারনে প্রাণহানির ঘটনাও উল্লেখযোগ্য হারে রয়েছে এই জৈন্তাপুরে। আব্দুল খালিক যে ভাবে পাহাড় কেটে ঘর তৈরী করছেন চরমান বৃষ্টিতে পাহাড় ধষে মৃত্যুর কুপে পরিনত হওয়ার আশংঙ্কা বিদ্যমান। দূর্ঘটনা ঘটলে দায়ভার কে নিবেন সবার একটাই প্রশ্ন?

অভিযুক্ত আব্দুল খালিকের প্রতিবেদককে জানান, আমি জনসাধারনের চলাচলের রাস্তায় কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিনি। তবে অনুমতি ছাড়া পাহাড় টিলা কাটা বিষয়টি অন্যায় করেছি।

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে সালিক রুমাইয়া জানান, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সরজমিন তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।