ট্রাফিক ও পুলিশের অভিযানে জৈন্তাপুরে ৬সিএনজি আটক

    0
    232

    নাম্বার বিহীন টোকন চালিত সিএনজি চলছে অবাধে

     

    রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুরে থানা ও ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে ৬টি সিএনজি আটক করা হলেও নাম্বার বিহীন টোকন চালিত সিএনজি মহা সড়কে চলছে অবাধে, যেন দেখার কেউ নেই।
    নাম্বার বিহীন অনটেষ্ট সিএনজির দখলে সিলেট তামাবিল মহা সড়ক। যদিও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত রয়েছে মহা সড়কে কোন প্রকার সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল করতে পারবে না। তার পরও লাগামহীন ভাবে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে দেদারছে চলছে নাম্বার বিহীন অনটেষ্ট সিএনজি। এসকল সিএনজি চালকদের নেই কোন লাইসেন্স। টোকনই চালকদের একমাত্র ভরসা, কারন টোকন দেখালেই হাইওয়ে, ট্রাফিক ও থানা পুলিশ কোথাও নেই সমস্যা। এই সুযোগে চোরাকারবারী মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট অবৈধ এসকল সিএনজি ব্যবহার করে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক দিয়ে চালাচ্ছে রমরমা চোরা ও মাদক বানিজ্য।

    ফলে সরকারি সিদ্ধান্তকে দেখানো হচ্ছে বৃদ্ধাঙ্গালী ও ঘটছে দূর্ঘটনা হচ্ছে যাত্রীর মৃত্যু। অদক্ষ চালক ও নাম্বারবিহীন সিএনজি বন্ধের দাবী সচেতন মহলের।

    এদিকে দূর্ঘটনা রোধে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর শনিবার উপজেলা বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ৬টি অনটেষ্ট সিএনজি অটোরিক্সা আটক করা হয়।

    আটককৃত অনটেষ্ট সিএনজি গুলোর মালিকরা হলেন- কানাইঘাট উপজেলার বীরদল গ্রামের ইবাদুর রহমানের ছেলে আশিক, কানাইঘাট উপজেলার নয়াগ্রামের ইসলামের ছেলে জাকির হোসেন, জৈন্তাপুর উপজেলার ছৈয়া গ্রামের জোয়াদ আলীর ছেলে জাকির হোসেন, চাল্লাইন গ্রামের তাহির আলীর ছেলে কালাম, গোয়াবাড়ী গ্রামের বেলাল আহমদের ছেলে অমি, গোয়াইনঘাট উপজেলার লেঙ্গুড়া গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে খায়রুল আমিন।

    অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক বলেন, এসপি স্যারের সার্বিক দিক নির্দেশনায় সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে থানা পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ৬টি সিএনজি অটোরিক্সা আটক করি।

    আটককৃত গাড়ীর বিরুদ্ধে মটরযান আইনে মামলা দায়ের করা হবে। সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে কোন প্রকার টোকনবাহী কিংবা অনটেষ্ট ও চালকের লাইসেন্স নেই এমনগাড়ী আটকের অভিযান অব্যাহত থাকবে।