তিনজন জামায়াত নেতার বক্তব্য সম্পর্কে স্পষ্ট হতে ১২টি টেলিভিশন চ্যানেলের কাছে ভিডিওচিত্র চেয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-২

    0
    491
    সেলিম উদ্দিনসহ তিনজন জামায়াত নেতার বক্তব্য সম্পর্কে স্পষ্ট হতে ১২টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের কাছে ওই জনসভার ভিডিওচিত্র চেয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-২।
    জামায়াতের এই তিন নেতা হলেন: দলের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর শাখার নায়েবে আমির ও সাংসদ হামিদুর রহমান আযাদ এবং মহানগর শাখার সহকারী সেক্রেটারি সেলিম উদ্দিন।
    ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত আদেশ ট্রাইব্যুনাল-২ থেকে রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
    আদেশ অনুযায়ী, চ্যানেল আই, এনটিভি, এটিএন নিউজ, এটিএন বাংলা, দেশ টিভি, একাত্তর টিভি, ইনডিপেনডেন্ট টিভি, আরটিভি, সময় টিভি, একুশে টেলিভিশন, জিটিভি এবং দিগন্ত টেলিভিশনকে ওই জনসভায় জামায়াত নেতাদের বক্তব্যের ভিডিও ও নিউজের স্ক্রিপ্ট সিডি আকারে ২০ মার্চের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই আদেশের কপি ১২টি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রধান বার্তা সম্পাদকের কাছেও পাঠাতে বলা হয়েছে।
    গত ৪ ফেব্রুয়ারি জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিন এক জনসভায় বলেন, ‘দেশকে গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচাতে হলে বিতর্কিত ট্রাইব্যুনাল থেকে রায় দেওয়ার সুযোগ নেই।’ হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘…এ ট্রাইব্যুনাল আর এক মুহূর্তও চলতে পারে না।’
    রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘…ট্রাইব্যুনালের ‘প্রতিহিংসাপরায়ণ রায়কে’ প্রতিহত করতে মানুষ রক্তও ঢেলে দেবে।’
    পত্রিকায় প্রকাশিত এসব বক্তব্য আমলে নিয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি ওই তিন নেতার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নোটিশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। সেদিন আদেশে বলা হয়, ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁদের ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির হয়ে জবাব দিতে হবে। কিন্তু সেদিন তাঁরা উপস্থিত না হওয়ায় ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দ্বিতীয় দফা সময় বাড়ানো হয়। সেদিনও তাঁরা হাজির না হওয়ায় ৬ মার্চ হাজিরের শেষ সুযোগ দেওয়া হয়। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।