দেশের মোবাইল অপারেটররা থ্রিজি মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা প্রবর্তনে প্রস্তুত

    0
    557

    আমার সিলেট ডেস্ক,২৭ আগস্ট : সিম প্রতিস্থাপনের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহারসহ, অমীমাংসিত কয়েকটি বিষয়ে রাজস্ব বোর্ডের সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলেই স্বল্পতম সময়ের মধ্যে থ্রিজি সেবা গ্রাহকদের কাছে নিয়ে যেতে পারবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এমতাবস্থায় শুধুমাত্র ভয়েস কলের ওপর গুরুত্ব না দিয়ে অপারেটরদের দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদানেও মনযোগী হবার পরামর্শ দিয়েছেন টেলিকম বিশেষজ্ঞরা।ইতোমধ্যে দেশে থার্ড জেনারেশন বা থ্রিজি লাইসেন্স নিলামের আগেই নিজেদের সার্বিক প্রস্তুতি শেষ করেছে দেশের মোবাইল অপারেটররা।

    গত এক বছর আগে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটকের মাধ্যমে দেশে থ্রিজি মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা চালু করেছে সরকার। পরে বেসরকারি অপারেটরদেরও এ সুবিধার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় নিলামের মাধ্যমে ৫টি থ্রিজি লাইসেন্সের জন্য আবেদনপত্র আহ্বান করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশন- বিটিআরসি।
    শুরুতে লাইসেন্স ফির ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট ধার্যের প্রস্তাব করা হলেও, অপারেটরদের আপত্তির মুখে তা ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। পরে নিলামে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন জমা দেয় ৪টি জিএসএম মোবাইল ফোন অপারেটর। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত সব প্রস্তুতি শেষ হওয়ার কথা জানিয়ে গ্রামীন ফোন বলছে, জামানত মূল্য পরিশোধের আগে অমীমাংসিত কয়েকটি বিষয়ের সমাধান হওয়া উচিৎ।
    গ্রামীণ ফোনের চিফ করপোরেট এফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসেন বলেন, সিম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে যে ট্যাক্স ধার্য করছে এনবিআর এটি একটি বড় ইস্যু। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রনঅরয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে আগে যে রিবেটটি দেয়া হত এখন আর তা দেয়া হবে না। তবে সব জটিলতার অবসান ঘটিয়ে মোবাইল অপারেটরদের এখনই অবকাঠামো স্থাপনে প্রস্তুতি গ্রহণের পরামর্শ টেলিকম বিশেষজ্ঞদের।
    টেলিকম বিশেষজ্ঞরা বলেন, শুধু কথা বলার জন্য যদি থ্রিজি প্রযুক্তিকে ব্যবহার করা হয় তবে তা ফলপ্রসূ হবে না। আগে থ্রিজি উপযোগী নেটওয়ার্ক তৈরি করে পরে আমরা ফোর জি বা এর চেয়ে আধুনিক প্রযুক্তিতে যাব। অপরতিকে অভিজ্ঞতার অভাবে টুজি লাইসেন্স নিয়ে অনেক অসাম্যঞ্জস্যপূর্ণ চুক্তি হয়েছে অপারেটরদরে সাথে। থ্রিজি লাইসেন্সের ক্ষেত্রেও যেন তেমন কিছু না ঘটে সেব্যাপারে সতর্ক থাকার জন্য উভয় পক্ষকেই পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।