নবীগঞ্জে ঠিকাদার হারুনের নেতৃত্বে চলছেে ফসলি জমির মাটি কাটা

0
181

নূরুজ্জামান ফারুকী,বিশেষ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জে ঠিকাদার হারুনের নেতৃত্বে শহরের আশপাশের বিভিন্ন ফসলি জমি থেকে দিনেও রাতে এক্সেভেটর মেশিন দিয়ে সমান তালে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের উপর।

ফসলি জমির মাটি কাটার ফলে,শুধু ফসলি জমিই ধ্বংস হচ্ছে না,ধ্বংস হচ্ছে চারপাশের পরিবেশ। এসব মাটির ধুলায় সড়কে,রাস্তায় চলাচলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে জনজীবন।

ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গ্রামাঞ্চলের মাটির রাস্তাঘাট। অল্প বৃষ্টি হলেই এখন মাটির রাস্তা গুলো ধ্বসে পড়ছে। প্রভাবশালী ভূমিখেকোদের ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন না স্থানীয়রা।

গত কয়েক মাস ধরে নবীগঞ্জ পৌর এলাকার সীমান্তবর্তী ৮নং সদর ইউনিয়নের কানাইপুর গাওর বন থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা হচ্ছে। এছাড়াও একই ইউনিয়নের বরকতপুর, জাহিদপুরের হাওড় থেকেও মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে।

নবীগঞ্জ উপজেলার ৮নং সদর ইউনিয়নের গাওর বন হাওড়ে মাটি কাটা অবস্থায় এক্সেভেটর শ্রমিক ওসমানী নগর থানার সাদিপুর ইউনিয়নের গলমুকাপন গ্রামের রিপন মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, “সদর ইউনিয়নের বরকতপুর গ্রামের ঠিকাদার হারুন মিয়ার নির্দেশে আমরা মাটি কাটি। আমাদের কোনো দোষ নেই। তারা আমাদেরকে এনেছেন।”

৫নং আউশকান্দি ইউনিয়নের মংলাপুর গ্রামের ট্রাক চালক আলামীন বলেন, “ঠিকাদার হারুন মিয়া আমাদের নিয়োগ দেন। প্রায় ৫ টি ট্রাক মাটি আনতে কাজে লাগানো হয়। রাত ৯ ঘটিকার পর থেকে মাটি আনতে ট্রাক নিয়ে আসি। রাতভর ফসলি জমির মাটি গাড়ি দিয়ে নিয়ে এসে পৌর এলাকার সালামতপুর নামকস্থানে একটি জায়গা ভরাট করি।”

বিষয়টি নিয়ে হারুন মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি কোনো প্রকার বক্তব্য দিতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), শাহিন দেলোয়ার বলেন, “অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোথাও মাটি কাটা হচ্ছে খবর পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”