নবীগঞ্জে ফসলী জমির মাটি বিক্রির মহোৎসবঃদেখার কেউ নেই!

    0
    211

    “হুমকির মুখে পরিবেশ ও ফসল উৎপাদন”

    আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২ফেব্রুয়ারী,মতিউর রহমান মুন্নাঃ নবীগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র এখন চলছে ফসলী জমির মাটি বিক্রির মহোৎসব। গ্রামের সহজ সরল মনা জমির মালিকেরা অতি সামান্য টাকার লোভে পড়ে মাটি  ব্যাবসায়ীদের কাছে ফসলী জমির উর্বর মাটি বিক্রি করছেন। যার কারনে জমির উর্বরতা কমে গিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হওয়ার সম্বাবনা দেখা দিয়েছে।উপজেলার সর্বত্র  দেখা যায়, প্রতি বছর ডিসেম্বর, জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী মাস আসলেই জমে উঠে এই ফসলি জমির মাটির বেচা কেনার ব্যাবসা।

    আর এ সব মাটি কেনার জন্য এক  শ্রেনীর দালাল রয়েছে। তাদের কাজ হল গ্রামে গ্রামে ঘুরে কৃষকদের লোভ দেখিয়ে কম মুল্যে মাটি সংগ্রহ করা। এর বিনিময়ে তাদের বেশ মুনাফা অর্জন করা। এই সব মাটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ইট ভাটার কাজে ব্যবহার হয়ে তাকে।

    তাছাড়া রাস্তাঘাট নির্মান ও বসতভিটার কাজে ও ব্যববহার হয়ে তাকে। জমির মালিকরা কুপল বিবেচনা না করেই পানির মুল্যে মাটি বিক্রি করে যাচ্ছেন। এলাকার অসংখ্য ইট ভাটা থাকার কারনে অনেক প্রভাবশালী ভাটার মালিকরা তাদের দালালদের মাধ্যমে অতি কৌশলে জমির মালিকদের বস করে মাটি নিতে বাধ্য করে।

    স্থানীয় বাজারে যে মাটি প্রতি হাজার ঘনফুট ১হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা বিক্রি হয় সেই মাটি কৃষকদের কাছ থেকে দালালেরা ৬ শ থেকে ৮০০ টাকায়  ক্রয় করে। এলাকার সমাজ সচেতন ব্যাক্তিরা বলেন, প্রতি বছর যে হারে ফসলি জমির মাটি বিক্রি হচ্ছে তাতে মুঠে ও ভাল লক্ষন নয়। এর পরিদি দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাওয়ার সম্বাবনা রয়েছে। এতে একদিকে যেমন ফসলি জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে আর অন্য দিকে পরিবেশের ভারসাম্য ও বিনষ্ট হচ্ছে। তাছাড়া ভবিষতে দেশে খাদ্য ঘাটতি ও দেখা দিতে পারে। পরিবেশের ভারসাম্য ও খাদ্য ঘাটতি মোকাবেলায় ফসলী জমির মাটি বিক্রি বন্ধ করা অতি জরুরী।
    এ  ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা  কৃষি কর্মকর্তা মোঃ দুলাল উদ্দিন বলেন, ফসলী জমি থেকে মাটি কাটার ফলে জমির জৈব পদার্থ কমে যায়। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। এই জমি গুলোতে কয়েক বছর ভালো ফসল উৎপাদন হবে না। তাছাড়া পরিবেশের ও ভারসাম্যতা ক্ষতির সম্মুখিন হবে। দেশে চাহিদা মতো খাদ্য উৎপাদনের সার্থে ফসলী জমি থেকে মাটি কাটা বন্ধ জরুরী ।