নবীগঞ্জে স্কুল মাদ্রাসার মাঠ দখল নিয়ে রণক্ষেত্রঃআহত-৩০

    0
    248

    আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৩ফেব্রুয়ারী,মতিউর রহমান মুন্নাঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের রাধাপুর গ্রামে শনিবার সকালে স্থানীয় স্কুল ও মাদ্রাসার পঞ্চায়েতি মাঠ দখলকে কেন্দ্র করে দু’দল গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। এ সময় ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিনত হয়। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে আশংকাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহতদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও নবীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার ইনাতগঞ্জ ফাঁিড় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওই ইউনিয়নের রাধাপুর গ্রামের স্কুল ও মাদ্রাসার কাছে যৌথ মালিকানাধীন পতিত রকম ভুমির মালিক দাবিদার লন্ডন প্রবাসী আব্দুর রহিমের সঙ্গে কিছুদিন ধরে গ্রামবাসীর বিরোধ চলে আসছিল। গ্রামের পঞ্চায়েত পক্ষে অবস্থান নেন ভাতিজা লন্ডন প্রবাসী আঙ্গুর মিয়া। তাদের দাবী ওই পতিত ভুমি গ্রামের স্থানীয় প্রাইমারী স্কুল ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের খেলাধুলার মাঠ হিসেবে ব্যবহার করার স্বার্থে রাখার। এতে বাধসাদেন লন্ডন প্রবাসী চাচা আব্দুর রহিম। এ নিয়ে উত্তেজনার এক পর্যায়ে গত ২১ ফের্রুয়ারী শনিবার সকাল ৭টার দিকে আব্দুর রহিম লন্ডনী ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে ওই বিরোধীয় জায়গায় জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ করতে যান। এ খবর গ্রামবাসীর মধ্যে জানাজানি হলে গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে এর প্রতিবাদ জানায়। এ নিয়ে বাদানুবাদের একপর্যায়ে দু’পক্ষের লোকজন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষই দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে। প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ৩০ জন আহত হয়। খবর পেয়ে ইনাতগঞ্জ ফাঁিড় পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। তবে পুলিশ চলে আসার পর লন্ডন প্রবাসী আব্দুর রহিম বিরোধীয় ভুমি জবর দখলে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সংঘর্ষে গুরুতর আহতরা হল- রাজন মিয়া (৩০), রনি মিয়া (২০), আবদুল লতিফ (৫৫), হেলাল আহমদ (৩০), শাহেদ মিয়া (৩৫), কয়েছ মিয়া (৪৯), কুরুশ মিয়া (৩৩), ছাবু মিয়া (৪৫) ও আবদুল বাছিত (৩০) কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন এবং বাকী আহতদের হবিগঞ্জ সদর ও নবীগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।