নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মৌলভীবাজারে পাক হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

0
203

আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা লড়াই করে পাক হানাদার বাহিনীকে মৌলভীবাজার থেকে বিতাড়িত করে শত্রুমুক্ত করেছিল। আজকের এই দিনেই মৌলভীবাজার পুরোপুরি হানাদারমুক্ত হয়।
সেদিনের সাহসী সন্তানেরা পাকহানাদারদের পরাজিত করে মৌলভীবাজার শহর তথা জেলার সর্বত্র উড়িয়েছিলো স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা।

মৌলভীবাজার মুক্ত দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে পতাকা উত্তোলন ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। পরে বিজয় মিছিল বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এম সাইফুর রহমান অডিটরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ নেছার আহমদ, জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মিছবাহুর রহমান, পৌর মেয়র মোঃ ফজলুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার (অর্থ ও প্রশাসন), সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জামাল উদ্দিন,মৌলভীবাজার ক্যাবেল নেটওয়ার্ক ( এমসিএন ) এর চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের সদস্য হাসান আহমেদ জাবেদসহ অন্যন্যরা।

মৌলভীবাজার মুক্ত দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন গুলো আলোচনা সভা ও সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন।

আলোচনা সভায় অনেকে বলেন মৌলভীবাজার শহরে প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ছিল পাক বাহিনীর এই অঞ্চলের ব্রিগেড হেড কোয়ার্টার। যুদ্ধকালীন হানাদার বাহিনীর টর্চার শেল হিসেবে পরিচিত বাংকারটি পিটিআইতে মাটি চাপা অবস্থায় আজো কালের সাক্ষী হয়ে আছে।

স্বাধীনতার এতো গুলো বছর পরেও এ জেলার একমাত্র বাংকার, বধ্যভূমি ও তালিকাভুক্ত গণকবরের স্থানগুলো রয়ে গেছে অরক্ষিত অবহেলায়। হানাদার মুক্ত দিবসে এ জেলার এসব স্থানগুলো সংস্কার ও সংরক্ষনের দাবী জানিয়েছেন এখানকার মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় বাসীন্দারা।