পর্যটকদের আর্কষণ লাল শাপলা বিনাশ করে ধান রোপন,কর্তৃপক্ষ নিরব!

0
422
পর্যটকদের আর্কষণ লাল শাপলা বিনাশ করে ধান রোপন,কর্তৃপক্ষ নিরব!

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার অন্যতম ও পর্যটকদের প্রধান আর্কষণ লাল শাপলার ৪টি বিল। বিলের হরফকাট ও কেন্দ্রী বিলের বিভিন্ন অংশ দখল করে লাল শাপলা ধ্বংস করে ভূমি খেকু চক্রের সদস্যরা জমি দখলে অপতৎপরতা জন্য ধান রোপন করলেও সংশ্লিষ্ট উপজেলা পর্যটন কমিটি নিরব ভূমিকা পালন করছে।

সরজমিনে ২০ ডিসেম্বর রোজ সোমবার দুপুরে জৈন্তাপুর উপজেলার পর্যটনের অন্যতম স্থান ডিবিরহাওর লাল শাপলার ৪টি বিল ঘুরে ভূমি খেকু চক্রের সদস্যরা জমি দখলের অপতৎপরতা দেখা যায়।

২০১৫ সাল হতে হরফকাটা বিল, ইয়ামবিল, কেন্দ্রীবিল ও ডিবিবিল, এই ৪টি বিল মিডিয়ার মাধ্যমে দেশ-বিদেশে পর্যটকদের আর্কষণ করে তোলা হয়। পরবার্তীতে ২০১৬ সাল হতে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা লাল শাপলার সৌন্দর্য উপভোগ করতে ঢল নামে।

সম্প্রতি ভূমি খেকু চক্রের সদস্যরা ইতোমধ্যে কেন্দ্রি বিলের প্রায় ৫০একর ভূমি সুকৌশলে দখল করে নানা প্রকারের ফসলের আবাদ করছে।

অপরদিকে কেন্দ্রি বিলের বর্তমান লাল শাপলা অংশের প্রায় ১০একর জায়গা দখল করে ধান রোপন করছে। হরফকাটা বিলের মধ্য অংশ দখল করে ধান রোপন অব্যাহৃত রেখেছে। ধান রোপন কার্যক্রম চলমান রাখা হলে আগামী ১০ হতে ১৫ দিনের মধ্যে হরফকাটা বিলটি সম্পূর্ণ রূপে বিলিন হয়ে যাবে এবং লাল শাপলা চিরতরে বিলটি হতে বিলুপ্ত ঘটবে।

পর্যটন ও পুরার্কীতি উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, বিলগুলোর কারনে আজ জৈন্তাপুর উপজেলার পরিচিতি বিশ্ববাসীর কাছে নতুন করে স্থান পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতার কারনে আজ লাল শাপলা বিলুপ্ত করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট মহলের অবৈধ দখলের হাত হতে ৪টি বিল রক্ষা করার জোর দাবী জানাচ্ছি। ব্যবস্থা গ্রহন না করা হলে, বিল রক্ষার জন্য অচিরেই সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মানব বন্ধনের ডাক দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ বলেন, স্থানীয় কয়েকজন আমাকে বিষয়টি অবগত করেছেন আমি উপজেলা পর্যটন কমিটিকে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বলেছি।

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূসরাত আজমেরী হক বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।