পুলিশের ঝুকি যেমন বেড়েছে তেমনি আয় ?

    0
    210
    আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৪ফেব্রুয়ারী: এনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের লাগাতার অবরোধ, হরতাল ও রাজনৈতিক সহিংসতায় পুলিশের মাঠপর্যায়ের বিপুলসংখ্যক সদস্য ককটেল এবং বোমা হামলার শিকার হয়েছেন। তাদের বহনকারী যানবাহনে অগি্নসংযোগেরও ঘটনা ঘটেছে। এসব তা-বে এরই মধ্যে একজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।
    আহত হয়েছেন আরো ৩ শতাধিক। অন্যদিকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে পুঁজি করে পুলিশের একশ্রেণির দুর্নীতিবাজ সদস্য রাজনৈতিক নেতাকর্মীর পাশাপাশি হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
    দেশজুড়ে চলমান সহিংস পরিস্থিতিতে জীবন ঝুঁকিতে থাকা পুলিশ নানা অপকৌশলে গ্রেপ্তারবাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ায় খোদ প্রশাসনের শীর্ষব্যক্তিরাই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন। তাদের ভাষ্য, পুলিশের এ বাণিজ্য চলমান থাকলে গোটা বাহিনী জনআস্থার চরম সঙ্কটে পড়বে। এতে তাদের জীবন আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে। তাদের বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসার পরিবর্তে বিগত সময়ের হয়রানি-নির্যাতনের প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা করবে।

    পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা গ্রেপ্তারবাণিজ্যের কথা অস্বীকার করলেও মাঠপর্যায়ে তথ্য অনুসন্ধানে অধিকাংশ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে হয়রানি-নির্যাতনের ভয়ে তাদের কেউই এ ব্যাপারে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা কিংবা আদালতে লিখিত অভিযোগ করতে রাজি হননি। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, ‘পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে জীবন-জীবিকা দুটোই হারাতে হবে। তাই যার যতটুকু ক্ষতি হয়েছে সবাই তা মেনে নিয়েছে।’

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে অনেক পুলিশ সদস্য নিজেদের ভাগ্য বদলের সুযোগ হিসেবে নিয়েছেন। রাজনৈতিক সহিংসতা দমনের নামে তারা সাধারণ মানুষকে আটক করে অর্থ আদায় করছেন। বিশেষ করে যাদের বিরুদ্ধে বিএনপি ও বিরোধী জোটের বিভিন্ন শরিক দল সমর্থন করেন তাদের টার্গেট করা হচ্ছে বেশি। এর পাশাপাশি মধ্যবিত্ত পরিবারের তরুণ সদস্যরাও পুলিশের গ্রেপ্তারবাণিজ্যের শিকার হচ্ছেন।
    যাত্রাবাড়ী এলাকার গৃহবধূ শারমীন সুলতানা জানান, গত ১৭ জানুয়ারি কাঠেরপুর এলাকায় বাসে অগি্নবোমা হামলার ঘটনার পরদিন অর্থাৎ ১৮ জানুয়ারি সকাল ১০টায় সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তার কলেজপড়ুয়া ছেলে বাসার সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায়। ওই অগি্নবোমা হামলার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে এমন অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে দুপুরের দিকে স্থানীয় একজন সোর্সকে পাঠানো হয়। পরে তার মধ্যস্থতায় ২৫ হাজার টাকা দিয়ে ছেলেকে পাঁচানি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর ব্যবস্থা করেন।

    শহিদুল আলম নামে পল্লবীর এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, গত রোববার পুলিশের সিভিল টিম তার ছোটভাই শিমুলকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গাড়িতে অগি্নসংযোগের মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার ভয় দেখায়। পরে তার স্ত্রী নিজের গায়ের গহনা বন্ধক রেখে ২০ হাজার টাকা জোগাড় করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে স্বামীকে ছাড়িয়ে আনেন।
    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এভাবে প্রতিদিনই শত শত নিরীহ মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে পুলিশ মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এ সুযোগ দালাল ও সোর্সরাও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারাও নানা ফন্দিতে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করছে। বিশেষ করে যেসব পরিবারের সন্তানরা বিএনপি-জামায়াত কিংবা বিরোধীদলীয় কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তারা বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। রাজনীতিতে সক্রিয় সন্তানকে বাড়িতে না পেয়ে বাবা-মা কিংবা বোনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
    আর যেসব নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সম্প্রতি সংঘটিত বিভিন্ন নাশকতার মামলা দেয়া হয়েছে ওইসব পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন ভয়ংকর বিপাকে। তাদের অনেকের বাসা থেকে পুলিশ নিয়মিত টাকা নিচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। কাফরুল থানা এলাকার একজন ছাত্রদল নেতার মা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত সপ্তাহে তার ছেলের নামে নাশকতার মামলা হওয়ার পর পুলিশের সিভিল টিম তল্লাশির নামে তার বাসা থেকে ছয় দফায় ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে গেছে।
    হরতাল-অবরোধে পুলিশের উপরি আয়ের প্রত্যাশা অনেক বেড়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাস-ট্রাকের চালকরাও। নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরের একজন ট্রাকচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, হরতাল-অবরোধে অগি্নবোমায় প্রায়ই চালক ও হেলপারদের জীবন দিতে হয়। কিন্তু পরিবারের কথা চিন্তা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রুটি-রুজির সন্ধানে রাস্তায় বের হচ্ছি। রাস্তায় পুলিশ পাহারায় আতঙ্ক কমলেও মোড়ে মোড়ে রয়েছে পুলিশের ‘উৎপাত’। গাড়ি থামিয়ে চেকিংয়ের নামে করে হয়রানি। হয়রানি থেকে বাঁচতে দিতে হয় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা চাঁদা।
    রাজধানীর বিভিন্ন থানার সোর্স, দালাল ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হাতবোমা কিংবা ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় কাউকে আটক করা হলে তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়ার জন্য ৩০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা ঘুষ নেয়া হচ্ছে। আর ওই মামলায় গ্রেপ্তার না দেখিয়ে ডিএমপি অ্যাক্ট কিংবা ছোটখাটো কোনো মামলায় আদালতে চালান দেয়ার জন্য পুলিশ অবস্থা ভেদে ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিচ্ছে। বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম চার্জশিট থেকে বাদ দিতে এক থেকে দেড় লাখ টাকা চাওয়া হচ্ছে।
    বিরোধীদলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় পলাতক নেতাকর্মীর অভিভাবকদের হয়রানি না করতে পুলিশ ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আদায় করছে। নাশকতার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক কাউকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকার লেনদেন হচ্ছে। তবে বিত্তশালী পরিবারের কারো কারো কাছ থেকে এক থেকে দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
    এদিকে সুযোগ বুঝে পুলিশের এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা উপরি আয়ে মেতে থাকলেও এ বাহিনীর মাঠ পর্যায়ের সদস্যরা মারাত্মক জীবন ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে খোদ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন। পুলিশের এসপি পদমর্যদার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সরকার মুখে স্বীকার না করলেও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন সত্যিকার অর্থেই ভয়ংকর। জনগণের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা র‌্যাব-পুলিশই এখন জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে।’
    ওই কর্মকর্তার ভাষ্য, টানা অবরোধে পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের মনোবল ভেঙে দিলেই সরকারের টনক নড়বে- এমন পরিকল্পনা করেই তা-বকারীরা পুলিশকে টার্গেট করেছে। সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাও অনুসন্ধান চালিয়ে এর সত্যতা পেয়েছে। সরকারের শীর্ষ মহলকে গোয়েন্দারা বিষয়টি অবহিত করেছে বলে জানা গেছে।
    সূত্রে জানা গেছে, যে চক্রটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছে গোয়েন্দা সংস্থা তাদের শনাক্ত করেছে। গোয়েন্দাদের দাবি, গত বছর ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে যে মহলটি র‌্যাব-পুলিশকে টার্গেট করে হামলা চালিয়েছিল, সেই মহলটি আবারো একই কায়দায় চলমান অবরোধে হামলা চালাচ্ছে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অনির্দিষ্টকালের অবরোধে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গত এক মাসে কেবল পুলিশকে টার্গেট করে শতাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট জেলা ও বিভাগীয় পুলিশ প্রশাসন জনসাধারণের নিরাপত্তা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে জনসাধারণের পাশাপাশি নিজেদের নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েনের দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন।
    পুলিশ ও র‌্যাবের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সমপ্রতি পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির ওপর হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যদের সতর্কভাবে ডিউটি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৭ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর মৎস্যভবন মোড়ে পুলিশ বহনকারী একটি বাসে বোমা হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় কনস্টেবল শামীমসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে শামীম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
    গত ১২ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর খিলক্ষেত বাজার এলাকায় পুলিশ ও আনসার সদস্যদের ওপর ককটেল নিক্ষেপ করে দুর্বৃত্তরা। বিস্ফোরণে খিলক্ষেত থানার এসআই কামাল, আনসার সদস্য হেলাল খান, মুনসুর আলী ও রিকশাচালক আবদুল লতিফ আহত হন। ৫ জানুয়ারি রাজধানীর কদমতলীতে দুর্বৃত্তরা পুলিশের রিকুইজিশন করা একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিলে এক আনসার সদস্য দগ্ধ হন। একই দিন ফকিরাপুলে পুলিশের টহল গাড়িতে হামলা চালায় ছাত্রদল কর্মীরা। এ সময় তারা পুলিশের একটি মোটরসাইকেল জ্বালিয়ে দেয়। আহত হয় দুই পুলিশ সদস্য।
    ঢাকার বাইরে রাজশাহী ৬ জানুয়ারি নগরীর সপুরা এলাকায় আলিফ লাম মিম ইটভাটার সামনে অস্ত্র কেড়ে নিয়ে পুলিশকে বেধড়ক পেটায় শিবিরের কর্মীরা। এতে গুরুতর আহত হন ৫ পুলিশ সদস্য। একইভাবে গত ১২ জানুয়ারি রাতে রাজশাহীর পুঠিয়ার শিবপুর এলাকায় পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল হামলা চালানো হয়। ১৪ জানুয়ারি রাজশাহী কলেজের সামনে র‌্যাবের গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল হামলা চালিয়েছে শিবির। ওইদিন বিকালে রাজশাহী নগরীর সোনাদীঘির মোড়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত ও গাড়ির আংশিক পুড়ে যায়।
    অবরোধের তৃতীয় দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকে আগুন ও পুলিশের ওপর হামলা চালায় অবরোধকারীরা।
    গত ১৮ জানুয়ারি কুমিল্লার কান্দিরপাড়ে লিবার্টি চত্বরে পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে। এতে কোতোয়ালি থানার সেকেন্ড অফিসার সালাউদ্দিন, উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাসির, কনস্টেবল হাসান ও হাবিলদার রুবেলসহ ১৫ জন আহত হন। ১০ জানুয়ারি সোনামসজিদ স্থলবন্দর থেকে বিজিবির প্রহরায় ছেড়ে আসা একটি পণ্যবাহী ট্রাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে হাতবোমা হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।
    এতে এক বিজিবি সদস্যসহ তিনজন আহত হন।
    ৬ জানুয়ারি রাত ১২টায় লক্ষ্মীপুরের লতিফপুরে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পে বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এ হামলায় এএসআই জাহাঙ্গীর আলম ও কনস্টেবল আবু সিদ্দিক গুরুতর আহত হন। ৭ জানুয়ারি সকালে বগুড়া মহাসড়কের ছিলিমপুরে পুলিশকে লক্ষ্য করে শিবিরকর্মীরা বোমা নিক্ষেপ করে। এছাড়া গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, ফেনী, চট্টগ্রাম সিরাজগঞ্জেও পুলিশের ওপর হামলার খবর জানা গেছে।
    নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবে সমাধান না করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে সহিংসতা বন্ধ করতে গেলে এ ধরনের ঘটনা বেড়েই চলবে। এ প্রসঙ্গে আইনজীবী ড. শাহদিন মালিক বলেন, মানুষ মাত্রই নাশকতা আর সহিংসতা চায় না। পুলিশকে টার্গেট করে দুর্র্বৃত্তদের হামলা থেকে রেহাই পেতে উত্তরণের পথ বের করা অত্যন্ত জরুরি। সে ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বর্তমান সমস্যাগুলো রাজনৈতিকভাবেই সমাধান করতে হবে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে দমননীতির মাধ্যমে সহিংসতা বন্ধ করার চেষ্টা করলে ফল আরো সহিংস হয়।সূত্রঃযায়যায়দিন।