প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব রাখলেন না হরতাল চলবে

    0
    278

    আমার সিলেট  24 ডটকম,অক্টোবরজাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া শুক্রবারের জনসভায় খালেদা জিয়ার সংলাপের উদ্যোগ নিতে সরকারকে শনিবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে তার মধ্যে না হলে রবিবার থেকে হরতালের ঘোষণা দিয়েছিলেন।কিন্তু তিনি তার কথা রাখতে অপারগতা জানিয়েছেন ১৮ দলের নেতাদের অনুপস্তিতির অজুহাত দেখিয়ে । ফলে আগামীকাল ররিবার ভোর ৬টা থেকে আগামী মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ৬০ ঘণ্টার কবলে পড়ছে গোটা বাংলাদেশ। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে খালেদা জিয়া বলেছিলেন ২৭ অক্টোবরের মধ্যে আলোচনার উদ্যোগ না নিলে ২৯ তারিখ পর্যন্ত ৩দিন দেশব্যাপী হরতাল পালন করা হবে। কিন্তু এরই মধ্যে আজ সন্ধ্যায় আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেগম খালেদা জিয়াকে টেলিফোন করে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন,এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থে হরতাল প্রত্যাহার করতে অনুরোধ জানান কিন্তু খালেদা জিয়া তার কথা মতো হরতাল প্রত্যাহার করলেন না।
    টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ গ্রহণ না করে পূর্ব ঘোষিত ৩ দিনের টানা ৬০ঘণ্টার  হরতালের পর সংলাপে বসতে চায় বিএনপি। তবে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দলীয় সরকারের দাবি নীতিগতভাবে মেনে নেয়া হলে সব কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হবে বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতার প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান। শনিবার সন্ধ্যায় বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর টেলি সংলাপের পর সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।
    এদিকে শুক্রবারের জনসভায় খালেদা জিয়ার সংলাপের উদ্যোগ নিতে সরকারকে শনিবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে তার মধ্যে না হলে রবিবার থেকে হরতালের ঘোষণা দিয়েছিলেন। আর নির্ধারিত সমেয়ের মধ্যেই বিএনপি চেয়ারপারসনকে টেলিফোন করে সংলাপের আমন্ত্রণ জানালেন শেখ হাসিনা।
    শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে টেলিফোন করে প্রধানমন্ত্রী হরতাল প্রত্যাহার করে সোমবার গণভবনে আলোচনা ও নৈশভোজের জন্য খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ জানান। ওই টেলিসংলাপের পরপরই এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে দলের এ অবস্থান তুলে ধরেন বিরোধীদলীয় নেতার প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান সোহেল।