প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ড.জাফর ইকবালের অনশন কর্মসূচি

    1
    342
    আমারসিলেট24ডটকম,৩০মেঃ সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল চলমান এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে জাতীয় শহীদ মিনারে অবস্থান করছেন। এ অবস্থান কর্মসূচি দুপুর পর্যন্ত চলেছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের জন্য যারা দায়ী তাদের বিচারের দাবিতে বৃষ্টি উপেক্ষা করে আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদীতে বসেন তিনি। স্ত্রী ইয়াসমিন হকসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও হাতে লেখা ‘প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের বিচার চাই’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে যোগ দিয়েছেন এ অবস্থন কর্মসূচিতে। তাদের সাথে আছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাও ছিলেন। ড.জাফর ইকবালের এ অনশনে সংহতি জানিয়ে সকাল থেকেই স্কুল ও কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়েছেন। ‘প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের বিচার চাই’ সংবলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে শত শত শিক্ষার্থী জাতিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার দাবি জানাচ্ছে। ড.জাফর ইকবাল বলেন, আমাদের এ অনশন কর্মসূচি চলবে।
    আমরা জড়িতদের বিচার চাই। আজকে এ বৃষ্টি উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি প্রমাণ করে তারা ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিতে চায় না। তিনি বলেন, আমি শহীদ মিনার কিংবা এ রকম কোনো একটা জায়গায় খবরের কাগজ বিছিয়ে বসে থাকব। হাতে একটা প্ল্যাকার্ড রাখব। সেখানে লিখব- প্রশ্ন ফাঁস মানি না, মানব না। আমাদের ছেলে-মেয়েদের অসৎ হতে দেব না। অধ্যাপক বলেন, শহীদ মিনারে অবস্থান থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জাফর ইকবাল বলেন, প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে বহু দাবি করেছি, আমার দাবি কে শোনে? আমার দেশে এটা হবে তা কেমন করে মানা যায়? মানুষ জানে এটা অন্যায় তাই প্রতিবাদ করছি। এ ঘটনার প্রতিবাদ না করলে দেশে বড় ধরনের বিপর্যয় হয়ে যাবে। আমি প্রশ্ন ফাঁস হতে দেব না- এমন ইচ্ছে থাকলেই প্রশ্ন ফাঁস হবে না। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কয়েকটি নিবন্ধে এইচএসসির কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ এনে তার পক্ষে প্রমাণ তুলে ধরেন ড.জাফর ইকবাল। তবে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ নাকচ করে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, গত ১০ এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ওই পরীক্ষা স্থগিত করার পর থেকে নির্ধারিত দিন সকালে প্রশ্ন ছাপিয়ে পরীক্ষা নিচ্ছেন তারা। শিক্ষামন্ত্রীর ওই বক্তব্যের পর গত ২৩ মে এ অনশনে বসার ঘোষণা দেন অধ্যাপক জাফর।