বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্পে শতাধিক আহত ও বিভিন্ন স্থাপনায় ফাটল

0
50

আমার সিলেট ডেস্ক: রাজধানী ঢাকা,সিলেট এবং টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, চাঁদপুর, রাজশাহী, পঞ্চগড়, নারায়ণগঞ্জ, জামালপুর ও কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটের দিকে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া না গেলেও ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন অঞ্চলে শতাধিক আহত ও ঘরবাড়ি ফাটল ও জানালার কাঁচ ভেঙ্গে যাওয়ার সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে।
এরমধ্যে ভূমিকম্পের কারণে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিভিন্ন ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, তিনটি আবাসিক হল, একাডেমিক ভবনগুলোর মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদে ও কেন্দ্রীয় মসজিদের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক আজিজুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬। এর উৎপত্তিস্থল ছিল লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায়। পার্শ্ববর্তী নোয়াখালী জেলায় ভূকম্পন বেশি অনুভূত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূকম্পনটির উৎপত্তিস্থল ছিল লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থেকে ৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-উত্তরদক্ষিণে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।

অপরদিকে ভারতের ন্যাশানাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, ভারতীয় সময় শনিবার সকাল ৯টা ৫ মিনিটে বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়। এর গভীরতা ছিল মাটি থেকে ৫৫ কিলোমিটার নিচে।

এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে কলকাতাতেও। এছাড়া, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া ওবং হুগলিতেও শনিবার সকালে ভূমিকম্প টের পাওয়া গেছে। ভূমিকম্প হয়েছে ত্রিপুরা, মিজোরামের বেশ কিছু এলাকায়।

ন্যাশানাল সেন্টার ফর সিসমোলজির মুম্বইয়ের কর্মকর্তা কিরণ নারখেদে বলেন, শনিবারের ভূমিকম্পের মূূল উৎসস্থল বাংলাদেশ। আফগানিস্তানে ভূমিকম্প হলে যেমন দিল্লি কেঁপে ওঠে, তেমনই বাংলাদেশে ভূকম্পনের ফলে কলকাতাসহ বিভিন্ন এলাকায় মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। কেঁপেছে উত্তরবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের কয়েকটি এলাকা।

অন্যদিকে লাদাখেও ভূমিকম্প হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে লাদাখে ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৩ দশমিক ৪। কম্পনস্থলের উৎসের গভীরতা ছিল মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার নিচে।