বিএনপির তিন নেতা আটকঃনানান কথা

    1
    276

    আমার সিলেট  24 ডটকম,০৯নভেম্বরঃ বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার সন্দেহে বিএনপির স্থায়ী কমিটির তিন সদস্য-ব্যারিস্টার মওদুদ, এমকে আনোয়ার, রফিকুল ইসলাম মিয়াকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র থেকে জানা যায় । একই কারণে, খালেদা জিয়ার বাসার কম্পিউটার অপারেটরকেও আটক করা হয়েছে  বলে অনুমান করা হচ্ছে । সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে শুধু জিজ্ঞাসাবাদ বা তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্যই তাদের আটক করা হয়েছিল। এই বিষয়ে আইনী পদক্ষেপ কী হবে তা এখনও স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি এখনো ।
    সূত্রানুযায়ী, গত ৭নভেম্বরই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় খালেদা জিয়াকে হত্যাপরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য-প্রমাণ রয়েছে! খালেদা জিয়াও আগে থেকেই এই আশঙ্কা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন(?) বলেই  তিনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় সেদিন সশরীরে হাজির না হয়ে পূর্বনির্ধারিত সমাবেশে ভিডিও-কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তৃতা দেন।খালেদা জিয়াকে হত্যার ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা সম্পূর্ণভাবে নাকচ করে দিয়েছে তার দল বিএনপি। গ্রেফতার প্রসঙ্গে বিএনপির বক্তব্য হচ্ছে , আন্দোলন দমন করার চেষ্টার আংশ হিসাবে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।
    পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গত ৮ নভেম্বর প্রথম দফায় বিএনপির তিন নেতাকে গ্রেফতারের পর বেগম জিয়াকে হত্যা পরিকল্পনার আশঙ্কা বিভিন্ন ফেসবুকেও প্রকাশ হয়ে যায়। অনেককেই বলতে দেখা গেছে যে, খালেদা জিয়াকে হত্যার পরিকল্পনাটি আগে থেকে টের পেয়ে যাওয়ায় দেশ বড় একটি দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেল।অন্য দিকে, ওই ঘটনা  ছাড়াও হঠাৎ এই গ্রেফতারের কারণ প্রসঙ্গে নানান জনের নানান মতামত ও সন্দেহ প্রকাশ হতে দেখা যাচ্ছে । অনেকেই বলছেন,শেখ হাসিনার অধীনে বিএনপিকে নির্বাচনে আনার কৌশল হিসেবে সরকার সংশ্লিষ্টদের ভয় ভীতি দেখানোর  চেষ্টা করছে।
    কেহ কেহ সন্দেহ প্রকাশ করে বলছেন, সরকারের সংগে মওদুদ আহমেদের বোঝাপড়ার অংশ হিসেবেই মওদুদ আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে  মওদুদ আহমেদকে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনএফ এর নেতৃত্বে দেখা গেলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই!তবে, বিএনপির চলমান আন্দোলনকে দুর্বল করতে এই গ্রেফতার অভিযান চালান হয়েছে এমন বক্তব্যের পাশাপাশি ভিন্ন ভাবনাও ঘুরপাক  করছে সাধারণ মানুষের মনে।