মৌলভীবাজারে ১০অক্টোবর যুবলীগের সম্মেলন:কে হচ্ছেন সভাপতি?

0
360


মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ আগামীকাল সোমবার (১০ অক্টোবর) প্রায় পাঁচ বছর পর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ মৌলভীবাজার জেলা শাখার সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

আর এ সম্মেলনকে ঘিরে মৌলভীবাজার শহর জুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ, শেষ হয়েছে সম্মেলনের সব প্রস্তুতিও। কেন্দ্রীয় অতিথিরাও এসে পৌঁছেছেন। মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগের এ সম্মেলন ও নতুন কমিটির সভাপতি পদকে ঘিরে এখন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা খুবই উজ্জীবিত।

এবারের সম্মেলনে তৃণমূল তাদের পছন্দের নেতাকেই নির্বাচিত করতে চান। এ অবস্থায় জেলা যুবলীগের শীর্ষ দুই পদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন কমপক্ষে ২১ জন নেতা। তাদের মধ্যে অনেকেই পরিক্ষিত ও ত্যাগী নেতা রয়েছেন।

এদিকে, বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রেজাউর রহমান সুমন এবারের মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগের সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী। তাকে ঘিরেই জেলা যুবলীগের কর্মীরা এখন আশা দেখতে শুরু করেছেন। সভাপতি পদে তৃণমূল থেকে বার বার তার নামই উঠে আসছে। মূলত করোনাকালীন সময়ে অসামান্য ভূমিকার কারণে এবং কর্মীবান্ধব নেতা হওয়ায় সৈয়দ রেজাউর রহমান সুমনের পক্ষে ইতিমধ্যেই দলের অধিকাংশ নেতাকর্মী তাকে সমর্থন দিয়ে ব্যানার, ফেস্টুন আর পোস্টারে শহরজুড়ে তাঁর ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকও সরব রয়েছে তাঁর প্রচারণায়। এ জেলার বেশির ভাগ নেতাকর্মীই সভাপতি হিসেবে তাকে পদায়নের জন্য এখন মতামত ব্যক্ত করছেন বলে সুর উঠেছে ।
উল্লেখ্য, জেলা যুবলীগের কর্মী ও সমর্থকদের প্রিয়মূখ হিসেবে পরিচিত বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রেজাউর রহমান সুমন করোনা মহামারিতে মানবিকতার দৃষ্টান্ত ছড়িয়েছেন জেলাব্যাপী। তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে গৃহীত নানামুখী কর্মকান্ডে স্বীকৃতিস্বরূপ মিলেছে কর্মীদের দেওয়া মানবিক নেতার খেতাব। সংগঠনের সব কাজে তিনি থাকেন সামনের সাড়িতে। করোনা মহামারির শুরু থেকেই ব্যক্তিগতভাবে বিতরণ করেছেন কয়েক হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও সাবান। করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করেছেন সাধারন মানুষকে। রমজান মাসে প্রতিদিন শতাদিক মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন রান্না করা খাবারের প্যাকেট।

ঈদে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদের মাঝে বিতরন করেছেন নগদ অর্থ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী,জাতীয় শোক দিবস ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে নিজ উদ্যোগে কয়েকশ পরিবারে দিয়েছেন খাদ্যসামগ্রী। সর্বশেষ সিলেট সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির সময়ও তিনি ত্রাণ নিয়ে ছুটে গেছেন বন্যার্তদের মাঝে। বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন। যা ইতিমধ্যেই জেলার নেতাকর্মীদের প্রশংসা কুড়িঁয়েছে।
কমলগঞ্জ ইউনিয় যুবলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এস.এম.কাইয়ুম বলেন, আমাদের তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের দাবি, দলকে সুসংগঠিত করতে হলে সৈয়দ রেজাউর রহমান সুমনের মতো একজন দক্ষ, পরিচ্ছন্ন ও কর্মীবান্ধব নেতাকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করতে হবে। কারণ জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক থাকা অবস্থায় তিনি জেলার ৬৭টি ইউনিয়ন ও ৭টি উপজেলায় তৃণমূল পর্যায়ের সকল নেতাকর্মীদের খোঁজখবর রেখেছেন, তাঁদের দু:সময়েও পাশে ছিলেন। তিনি সভাপতি নির্বাচিত হলে যুবলীগ আরো শক্তিশালী ও গতিশীল হবে।
তৃণমূলের আরেক নেতা কাওছার আহমেদ বলেন,জেলার ৭টি উপজেলার নেতাকর্মীদের একই আওয়াজ, সভাপতি হিসেবে সৈয়দ রেজাউর রহমান সুমনের বিকল্প কাউকে চাই না। তিনি রাজপথে সব সময়ই সক্রিয় ছিলেন, তার সেই রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও মেধা রয়েছে বলে আমি মনে করি।