মৌলভীবাজার-৪ আসনে নির্বাচনী প্রচারনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ

0
32

আমার সিলেট রিপোর্ট: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে সংসদীয় আসন মৌলভীবাজার-৪ এ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাবেক চিফ হুইপ, সংসদ সদস্য,বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) সারাদিন শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ ও পথসভা করেন।


এ সময় চা বাগান ও গ্রামবাসীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।
নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি দলীয় বিভিন্ন নেতা কর্মীদের স্মরণ করেন,যারা ইতিমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং এবং সবার স্মৃতিচারণ করে শোক প্রকাশ করেছেন। আবার ক্ষমতায় আসলে অসমাপ্ত কাজগুলো করবেন বলে আশ্বস্থ করেন।এসময় তিনি অতীতের যেকোনো ভুল ভ্রান্তি থেকে সবাইকে ক্ষমার চোখে দেখার জন্য বলেন।

ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় অনেকের সাথে কথা বলা হয়নি, দেখা হয়নি, জানা অজানা অবস্থায় হয়তো কারো সাথে আমি খারাপ ব্যবহার করতে পারি,এছাড়া ইশারা দিলেও গাড়ি থামাতে পারিনি, দেশে-বিদেশে বিভিন্ন প্রোগ্রাম থাকার কারণে অনেক এলাকায় বারবার আসা সম্ভব হয়নি যেকোনো কারণে যারা আমার উপর দুঃখিত আপনারা দুঃখ রাখবেন না আমাকে ক্ষমা করে দিবেন এবং শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার নিমিত্তে আগামি ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন আপনারা পরিবারের সকল ভোটারকে নিয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন, অতীতেও আমি আপনাদের সেবা করার চেষ্টা করেছি। আপনারা আমাকে ভোট দিয়েছেন বলে ভোট দেওয়ার কারণেই শেখ হাসিনার সরকার এ পর্যন্ত আসতে পেরেছে, আমাকেও আপনারা নির্বাচিত করেছেন এসবগুলো আপনাদের কারণেই হয়েছে আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ,যদি সে কথা আমি স্বীকার না করি বা না বলি তাহলে আমি অকৃতজ্ঞ থেকে যাব, সপ্তমবারের মতো আবার যদি আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন। আর আমাদের সরকার গঠন হয় তাহলে আবার আপনাদের এলাকায় এসে আপনাদের সাথে দেখা করার চেষ্টা করব।

এ সময় বিভিন্ন এলাকার মুরুব্বীবৃন্দ এবং আওয়ামী লীগ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ভোটাররা স্বীকার করেন যে তিনি (উপাধ্যক্ষ ডক্টর মোহাম্মদ আবদুস শহীদ) দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সেবা করে আসছেন এবং উনার প্রতিদান শুধু একটি ভোট দিয়ে শেষ করা যাবে না আমরা সাত তারিখে ভোট দিব সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোট কেন্দ্র অবস্থান করবো, এসময় অনেকেই এলাকার কিছু অসমাপ্ত রাস্তা এবং মসজিদ মাদ্রাসা উন্নয়ন দাবি করেন তিনি (এমপি আব্দুস শহীদ) আবার ক্ষমতায় আসলে অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার চেষ্টা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ভানু লাল রায়, ভাইস চেয়ারম্যান হাজী লিটন আহমেদ, কালাপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মতলিব, সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মুজুল, আওয়ামী লীগ নেতা শমসের খান,শেখ উপরু মিয়া,ফজলুর রহমান, প্রবাসী যুব লীগ নেতা সেলিম আহমদ, আওয়ামী লীগের ইউপি নেতা খোরশেদ আলম, যুবলীগ নেতা বদরুল আলমসহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ,কৃষকলীগ এর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিটের সদস্যরা ও উপস্থিত ছিলেন। রাত পর্যন্ত চলবে এই নির্বাচনী উঠান বৈঠক।