রাজনীতিতে ঢোকার আগে শিক্ষা লাগবে : ব্যারিস্টার রফিক-উল হক

    0
    259
    রাজনীতিতে ঢোকার আগে শিক্ষা লাগবে : ব্যারিস্টার রফিক-উল হক
    রাজনীতিতে ঢোকার আগে শিক্ষা লাগবে : ব্যারিস্টার রফিক-উল হক

    আমারসিলেটটোয়েন্টিফোর.কম ০৪ সেপ্টেম্বর  : তারেক রহমানের ৬ষ্ঠ কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে এবার নির্বাচনকালীন সরকারের নতুন ফর্মূলা দিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। এ ফর্মূলার নাম দেয়া হয়েছে- যৌথ সরকার। তত্ত্বাবধায়কের বিকল্প হিসেবে এবার এ প্রস্তাব তুলে ধরে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হলেও বিএনপি আগামী নির্বাচনে বিপুল ভোটে জিতবে। আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তারেক রহমানের ৬ষ্ঠ কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
    সংগঠনের উপদেষ্টা ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক আ. ফ. ম. ড. ইউসুফ হায়দার, ড. কে এ এম শাহাদাত হোসেন মন্ডল, কামাল উদ্দিন সবুজ, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, ড. তাজমেরী এস. এ. ইসলাম, সৈয়দ আবদাল আহমদ, এস. এম. শফিউজ্জামান খোকন প্রমুখ।
    প্রখ্যাত এ আইনজীবী বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক হোক বা না হোক, আগামী নির্বাচনে আপনারা বিপুল ভোটে জিতবেন। তিনি বলেন, কিন্তু সেটা আওয়ামী লীগকে গালাগাল করে হবে না। মানুষ এখন জানে কোথায় ভোট দিতে হবে। বিরোধীদলের উদ্দেশে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার হয়তো হবে না, কিন্তু এছাড়া নির্বাচন হবে না বললেও ভেতরে ভেতরে নির্বাচনের প্রস্তুতি রাখতে হবে।
    সরকার ও বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বিরোধীদল তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাচ্ছে, সরকার রাজি হচ্ছে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হোক, নির্বাচনকালে একটি যৌথ সরকার হতে পারে। এ যৌথ সরকার- সরকারি ও বিরোধীদল উভয় পক্ষের ব্যক্তিদের সমন্বয়ে হবে বলে স্পষ্ট করে তিনি বলেন, এতে দুপক্ষের ব্যক্তিরাই থাকবেন। তিনি বলেন, বিদেশে তারেক পড়াশোনা করছেন, তার স্ত্রীও। তারা সবাই একসঙ্গে দেশে ফিরবেন।
    রফিক-উল হক বলেন, মঙ্গলবার শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনকালে কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। আমি চাই, একটা অর্থপূর্ণ নির্বাচন, যে যাকে ভোট দিতে চাইবে, তাকেই যেন দিতে পারে। মিডিয়ার আধিক্যে নির্বাচনে কারচুপির সুযোগ কমে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, রাজনীতিতে ঢোকার আগে শিক্ষা লাগবে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মারামারি-কাটাকাটি করা যাবে না। মানসিক পরিবর্তন আনতে হবে।