শ্রীমঙ্গলে অগ্নিকাণ্ড থেকে ঘুমন্ত শিশুটি অলৌকিক ভাবে বেঁচে গেল!

0
324

আমার সিলেট রিপোর্ট: শ্রীমঙ্গলে অগ্নিকাণ্ড থেকে একা ঘরে থাকা ঘুমন্ত শিশুটি আগুনের তাপ শরীরে লাগায় অলৌকিকভাবে নিজের বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে বেঁচে গেছে বলে এলাকাবাসী সৃষ্টিকর্তার শুকরিয়া আদায় করছে। এ সময় ঘরটি জলে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৩ নং শ্রীমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বিপরীত দিকে উত্তর ভাড়াউড়ার হাজী আলকাস মিয়ার মার্কেট সংলগ্ন বাড়িতে ভাড়াটিয়া খয়েস মিয়া নামে ৫ নং কালাপুর ইউনিয়নের সিরাজনগর গ্রামের বাসিন্দা তার ভাড়াটিয়া টিনের ঘরে আজ শনিবার (১১নভেম্বর) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
এতে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

প্রায় আধঘন্টা ব্যাপী চেষ্টা করে শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম আগুন নিভাতে সক্ষম হয়। এসময় স্থানীয়রা ও সহযোগিতা করতে দেখা যায়।
এসময় সংবাদ পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানার এসআই আব্দুর রউফ একদল পুলিশসহ ঘটনা স্হলে উপস্থিত থেকে আগুন নিভাতে সহযোগিতা ও পর্যবেক্ষণ করেন। একই সময়ে একজন ডিএসবি সদস্যকেও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ওই সময় ঘরে কয়েস মিয়ার ছোট একটি ৭ বছরের বাচ্চা ঘুমিয়ে ছিল।
শিশু ছেলেটি জানায়,আগুন লাগার সাথে শরীরে গরম অনুভূত হওয়ায় তার ঘুম ভেঙ্গে যায়। তখন সে বেড়ার টিন খুলে বেরিয়ে আসে, তার চোখে মুখে আতঙ্কের চাপ দেখা যায়।এতে ছেলেটি বড় ধরনের বিপদ থেকে বেঁচে যাওয়ায় এলাকাবাসী শুকরিয়া জ্ঞাপন করছে। ফলে কোন প্রকার হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে ঘরটি সম্পন্ন পুরে ছাই হয়ে গেছে।

ভাড়াটিয়া খয়েস মিয়া আমার সিলেটকে জানান,১৫,০০০ টাকা ক্যাশ সহ প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিভাবে আগুন লেগেছে সে বলতে পারেনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মারুফ মিয়া বলেন, বিদ্যুতের লাইন থেকে এই ঘটনা ঘটতে পারে।
জানা যায়,সংবাদ পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ভানু লাল রায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সহায়তার আশ্বাস দেন।