শ্রীমঙ্গলে সিন্দুরখান রোড সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনে সুমন সভাপতি জয়নাল সম্পাদক

0
171

সোলেমান আহমেদ মানিক, শ্রীমঙ্গল থেকেঃ মৌলভীবাজার জেলা অটো টেম্পু, অটো রিক্সা, মিশুক, সিএনজি পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং-চট্ট-২৩৫৯ এর অন্তর্ভূক্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার অধিনস্থ সিন্দুরখান রোড সিএনজি শ্রমিক পরিচালনা কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৮ মার্চ ২০২৩) সিন্দুরখান ইউপির সাউথ বালিশিরা কেজি স্কুলে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান ভানুলাল রায়, সহকারী কমিশনার মকলিছুর রহমান খালিস, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুস সালাম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দিন সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৮৫৮ জন ভোটারের মধ্যে ৭৬৯ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন।

নির্বাচনে ৯টি পদে ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এতে সভাপতি পদে মোঃ আহসানুল হক সুমন (আনারস) ৫৯২ ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ জয়নাল আবেদীন (মোমবাতি) ৪৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
এছাড়া সহ-সভাপতি শাহিন আলম (বাসগাড়ি) ২৮৭, সহ-সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন (আম) ৪১৮, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সুহেল মিয়া (হাতি) ৪৬১, দপ্তর সম্পাদক মোঃ বাবুল মিয়া (কলস) ৩৪৪, প্রচার সম্পাদক মোঃ আবু সুফিয়ান (কবুতর) ৩১৪, অর্থ সম্পাদক অনু মিয়া (মিনার) ৪৬০ ও কার্যকরী সদস্য মোঃ আছিদ আলী (বালতি) ২৯৯ ভোট পেয়ে জয় লাভ করে।

এসময় শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ লিটন আহমেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিতালী দত্ত, সিন্দুরখান ইউপির চেয়ারম্যান ইয়াছিন আরাফাত রবিন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু খায়ের সিদ্দিক মুরাদ, জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমেদ, সিন্দুরখান বাজার জামে মসজিদ’র সভাপতি মোঃ ফুল মিয়া, বাজার কমিটির সম্পাদক ফটিক মিয়া, সাবেক সম্পাদক আমিন মিয়া, সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়ন উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিনং- ১২২৩ এর নেতাকর্মীসহ গণমাধ্যমকর্মীরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভানুলাল রায় জানান, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা ছিলো। কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে, এজন্য তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ, মৌলভীবাজার পুলিশ লাইনের সদস্য ও গ্রাম পুলিশেরা দায়িত্ব পালন করেন। প্রার্থী বা তাদের মনোনীত এজেন্ট, উপজেলা, জেলা শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামনেই ভোট বাক্স খুলে গননা করা হয়।