শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালাপুরে ফসলসহ শতাধিক ঘরের টিনের চালায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি

0
262

নিজস্ব প্রতিনিধি,আমার সিলেট রিপোর্টঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৫ নং কালাপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড ও ৬ নং ওয়ার্ডে হঠাৎ শিলাবৃষ্টি ও আগাম কাল বৈশাকীঝড়ে ধানী জমিসহ প্রায় শতাধিক ঘরের চালা এবং বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে কয়েকটি এলাকা।

এতে নিম্ন আয়ের ঘরের মালিকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বলে জানা যায়।
সোমবার ২০ মার্চ দুপুর ২টায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ শিলাবৃষ্টি হলেও কালাপুর ইউনিয়নের দুইটি ওয়ার্ডে প্রায় কয়েক মিনিট ধরে চলা ঝড়বৃষ্টিতে কোথাও কোথাও শিলার স্তূপ জমে যায়। এসময় ঝড়ে ফসলসহ গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

শিলাবৃষ্টিতে ধানের জমির ব্যাপক ক্ষতি।

এ ব্যাপারে ৫ নং কালাপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড মাঝদিহি এলাকার ইউপি সদস্য মোঃ লোকমান মিয়া আমার সিলেটকে জানান তার ৬ নং ওয়ার্ডের অধিকাংশ লোক গরিব ও পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করে ফলে তাদের ঘরের টিনগুলো শিলা আঘাতে ছিদ্র হয়ে চৌচির হয়ে গেছে প্রায় শতাধিক ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদি রাতে আবারো বৃষ্টি হয় তাহলে ঘরে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়বে। ঘরের ছাড়াও লেবু বাগান আনারস বাগান শসা ও অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরো জানান বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান কে জানানো হলে তিনি পিআইও অফিসের একজন অফিস সহকারীকে এলাকাটি পরিদর্শনের জন্য পাঠান তার নাম আমিনুল ইসলাম।ওই প্রতিনিধি আমাদেরকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার জন্য বলেছে পরে ওই তালিকা ডিসি মহোদয়ের কাছে প্রেরণ করা হবে।
এ ঘটনায় চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মতলিব এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার ইউনিয়ন ৫ নং কালাপুরের ২ নং ওয়ার্ড লামুয়া ও ৬নং ওয়ার্ড মাঝদিহির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ধানের জমিসহ প্রচুর ঘরের টিনের চালা শিলার আঘাতে ছিদ্র হয়ে পড়েছে এবং ধানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে খবর পেয়েছি।কাল সকালে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য,উপজেলার অন্যান্য এলাকার ক্ষতিগ্রস্ততার সংবাদ এখনো পাওয়া যায়নি,তবে লামুয়াসহ কিছু এলাকায় সংবাদ লেখা পর্যন্ত প্রায় ১১ঘন্টা যাবত এখনো বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে।