শ্রীমঙ্গল জমিজমার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত১খামারি

    1
    536

    আমারসিলেট24ডটকম,২৩নভেম্বরঃ শ্রীমঙ্গল উপজেলার  নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত কাজী মোঃ আব্দুল কাদিরের ছেলে কাজী মোঃ মন্নাফকে গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এক অতর্কিত হামলায় মারাক্তক ভাবে আহত করা হয়।  আহত মন্নাফের ছোট ভাই আসকির মিয়া থেকে জানা যায়।প্রতিদিনের মত তার ভাই মন্নাফ হাওয়ারে তাদের নিজ হাঁসের খামারের উদ্দ্যেশে যাওয়ার পথে বিবাদীদের বাড়ির সামনেই তাকে আক্রমন করা হয়।বিবাদীরা দেশীয় অস্র সস্র নিয়ে তার উপর হামলা করে , সুলফি দিয়ে আঘাত করে এক পর্যায়ে সাইকেল থেকে পরে গেলে কাঠের রোল দিয়ে মারতে থাকে।আসকির মিয়া আরও জানান আহত মন্নাফের চিৎকারে আশপাশের লোকজন আসতে দেখে আক্রমনকারীরা  মন্নাফের  বাইসাইকেলটিসহ দুটি মোবাইল সেট নিয়ে যায়।পরে আহত মন্নাফকে দ্রুত শ্রীমঙ্গল সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার্থে মৌলভিবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।বিবাদীদের সাথে পূর্ব থেকে জমিজমা নিয়ে গণ্ডগুল চলছিলো বলে জানান আহত মন্নাফের ভাই আসকির। তিনি বাদী হয়ে এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ দায়ের করেন শ্রীমঙ্গল থানায়।যাদের নামে অভিযোগ করা হয়েছে তারা হলেন ১) জফর মিয়া (৫৫) পিতা মৃত আঃ গফুর, ২) লিল মিয়া (৪৫) পিতা মৃত আঃ গফু্‌ , ৩) শাহজাহান মিয়া (৩০)  ও ৪)শাহআলম(২৫)  উভয় পিতা জফর মিয়া , ৫) আজাদ মিয়া (২৮) পিতা আঃ সোবহান্‌ , ৬)রুমেল মিয়া (২২) পিতা সুন্দর আলী , ৭)আল্কুম মিয়া (২২) পিতা লিল মিয়া , ৮) শানাজ মিয়া (২৩) পিতা জফর মিয়া, সর্ব সাং নোয়াগাঁও, শ্রীমঙ্গ্‌ল ,জেলা মৌলভিবাজার।ইতিমধ্যে শাহআলম নামের একজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে এবং তাকে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।বাকী আসামীরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।

    উল্লেক্ষ্য, আহত মন্নাফের চাচা কাজী আব্দুল বাসিত থেকে আরও জানা যায়, তিনি বলেন তারা পূর্ব থেকেই আমাদের উপর অত্যাচার করে আসছে ।তিনি বলেন , আজ থেকে প্রায় ২০বছর আগে ১৯৯৩সালের দিকে  মন্নাফের পিতা কাজী মোঃ আব্দুল কাদির  ১নং আসামী  জফর মিয়ার  পিতা বর্তমানে মৃত আঃ গফুরের কাছ থেকে ৬০০০ হাজার টাকা কর্জ নিয়েছিলেন। কর্জ পরিশোধ করতে দেরী হওয়ায়  মৃত আঃ গফুর  আহত মন্নাফের পিতাকে এই বলে হুমকি দিয়েছিলেন যে, আজ যদি আমার টাকা পরিশোধ না করা হয় তাহলে তোমার কি হবে জানিনা ।ঐ দিন রাত থেকেই নিখোঁজ ছিলেন আহত মন্নাফের পিতা। পর দিন নিজ বাড়ির উত্তর পাশের জমিনে তার লাশ মিলে।ঐ সময় সাক্ষির অভাবে এবং তাদের অত্যাচারের ভয়ে থানায় মামলা করতে সাহস পায়নি।তার চাচা আরও বলেন,মন্নাফের পিতা মৃতুর সময় তার ভাই বোন ছোট ছোট ছিল।