সান্তাহারে নিখোঁজ সজীবের ১৮ দিনেও সন্ধান মিলেনি

    0
    321

    সাগরখান, আদমদীঘি প্রতিনিধি, ০৭ মে: বগুড়ার সান্তাহার পৌর শহরের নামা পোঁওতা মহলার আনিছুর রহমানের শ্যালক সজীব হোসেন (১৬) নিখোঁজের ১৮ দিন অতিবাহিত হলেও তার কোন সন্ধান মিলেনি। তাকে অপহরণ করা হয়েছে নাকি হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছে এনিয়ে তার পরিবারের মধ্যে নানা সংশয় দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় আদমদীঘি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।

    জানাযায়, নওগাঁর শেরপুর পিয়াদাপাড়া গ্রামের আজিজুল আলমের পুত্র গত দুই বছর যাবত বগুড়া জেলার সান্তাহার পৌর শহরের নামা পোঁওতা মহলার আনিছুর রহমানের বাড়ীতে থাকতো এবং তার দোকানের কাজে সহায়তা করত। গত ১৯ এপ্রিল সকাল ১০ টার সময় বাড়ী থেকে দোকানে এসে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়। পরিবারের লোকজন তাকে সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করে তার সন্ধান না পাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় দিনাতিপাত করছেন।

    সান্তাহার বশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ

    সাগরখান, আদমদীঘি প্রতিনিধি, ০৭ মে:

    বগুড়ার সান্তাহার বশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতির বিষয়ে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এ কে আজাদ সহ ওই গ্রামের একাধিক স্বাক্ষর সম্বলিত একটি আবেদন উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর প্রদান করেন।

    আবেদন সূত্রে জানাযায়, বিদ্যালয়টি উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় উর্দ্ধতন শিক্ষা বিভাগের তদারকির স্বল্পতার সুযোগে প্রধান শিক্ষক আনোয়ারা বেগম দুর্নীতির রাজত্ব কায়েম করেন। তিনি প্রায় দিনই বিলম্বে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। বিদ্যালয়ের দুইটি গাছ কর্তন করে তা বিক্রয় করে সম্পূর্ণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। সরকারের দেয়া বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণের সময় শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অর্থ আদায়, বছরের শুরুতে অধিকহারে ভর্তি ফি আদায়, বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমিতে উৎপাদিত ধান সম্পূর্ণরূপে আত্মসাৎ এবং পঞ্চম শ্রেণি পাশ করা শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে মিষ্টি খাওয়ার নামে মোটা অংকের টাকা গ্রহণ করে তা সম্পূর্ণরূপে নিজে আত্মসাৎ করেন। উক্ত শিক্ষক ঠিকমত বিদ্যালয়ের কাশ না নিয়ে লাইব্রেরীতে বসে অহেতুক সময় কাটায় বলে ওই অভিযোগ পত্রে উল্লেখ্য করেছে। এ ব্যাপারে বশিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি এ কে আজাদের সাথে কথা বললে তিনি আবেদন পত্র দেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আবেদনে যেসব দুর্নীতি তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে তা সঠিকভাবে তদন্ত করলে এর সত্যতা বেরিয়ে আসবে । তিনি আরো বলেন, আনোয়ারা বেগমের স্বামী নিজেকে প্রভাবশালী পরিচয় দিয়ে আমাকে নানা অব্যহতিভাবে হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করেছে। এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারা বেগমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আবেদনের সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত।