সিলেট শাবিপ্রবির সংঘর্ষে ১৭জন গ্রেপ্তারঃঅস্ত্র উদ্ধার

    0
    220

    আমারসিলেট24ডটকম,২১নভেম্বরঃ সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুকযুদ্ধের সাথে জড়িতদের ধরতে অভিযানে নেমেছে পুলিশ।শাবিপ্রবিতে সংঘর্ষের ব্যাপারে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের জালালাবাদ থানায় পুলিশ একটি মামলা দায়ের করে, ১৭ জনকে গ্রেফতার এবং ৪ রাউন্ড গুলি ভর্তি একটি রিভলবার ও ১৯টি রামদা উদ্ধার করেছে বলে একটি সুত্র থেকে যায়।

    অপরদিকে জালালাবাদ থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে নগরীর পাটানটুলা এলাকার শিপলু আহমদের বাসা থেকে তার সহযোগী এমদাদুর রহমান খোকনকে গুলি ভর্তি একটি রিভলবার ও রামদা সহ গ্রেফতার করে।নগরীর কুয়ারপার এলাকা থেকে সজল দাস, জয়ন্ত দাস, নাঈম আহমদ ও বেলাল আহমদকে গ্রেফতার করা হয়।
    অন্যদিকে সিলেট কোতয়ালি থানার পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) যৌথ অভিযান চালিয়ে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আরো ১২ জন কে গ্রেফতার করেছে বলে এসএমপির অতিরিক্ত উপ কমিশনার রহমতুল্লাহ’র সূত্র জানিয়েছেন।
    গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার ও হল দখল নিয়ে উত্তম-অঞ্জন গ্রুপের সাথে সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থ গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এতে সুমন দাস (২২) নামে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্র নিহত হয়। এছাড়া ৫জন গুলিবিদ্ধসহ ২০জন আহত হন।  উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ঘটনা তদন্তে শাবি’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাসকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। জানা যায় সংঘর্ষ কারী দুটি গ্রুপ ছাত্রলীগের সমর্থিত।

    এদিকে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।হলগুলো শিক্ষার্থী শূন্য। শিক্ষকদের ও হল কর্মচারীরা অবসর সময় কাটাচ্ছেন।
    বৃহস্পতিবার দুপক্ষের সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে সিন্ডিকেটের জর্বরি সভা ডেকে শাবিপ্রবি অনির্দিষ্টকালের জন্যে বন্ধ ঘোষণা করে ছাত্রদের  বিকেল ৪টার মধ্যে এবং ছাত্রীদেরকে শুক্রবার সকাল ৯টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
    ছাত্ররা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই হল ছেড়ে চলে যায়। একই সাথে ছাত্রীরাও আজ শুক্রবার সকালে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই হল ছেড়েছে।

    উল্লেখ্য,গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ময়নাতদন্তের পর রাতেই সুমনের মরদেহ সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা পরে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার গ্রামের বাড়িতে।