হবিগঞ্জে পুলিশ স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলায় শিশু কন্যাকে অপহরণের হুমকির দাবী    

0
335
হবিগঞ্জে পুলিশ স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলায় শিশু কন্যাকে অপহরণের হুমকির দাবী  
হবিগঞ্জে পুলিশ স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলায় শিশু কন্যাকে অপহরণের হুমকির দাবী  

নূরুজ্জামান ফারুকী,বিশেষ প্রতিনিধিঃ স্ত্রীকে রেখে ২য় বিয়ে করেই ক্ষান্ত হননি পুলিশ সদস্য শিবলু মিয়া (২৮)। এবার শিশু কন্যা তানহাকে অপহরন করার হুমকী দিয়েছেন। হুমকীর বিষয় নিয়ে ১৪ মার্চ চুনারুঘাট থানায় সাধারন ডায়েরি করেছেন স্ত্রী শারমিন আক্তার। মামলা করে তিনি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন।

এদিকে পুলিশে কর্মরত ওই স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন আদালত।

মামলাটি এফআইআর করে ৭ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরনের জন্য চুনারুঘাট থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। চুনারুঘাট উপজেলার বড়জুম গ্রামের আব্দুল মালেকের কন্যা শারমিন আক্তার তার স্বামী শবিলু মিয়ার বিরুদ্ধে যৌতুক, মারপিঠ ও ২য় বিয়ের করার অভিযোগ এনে গত ৮ মার্চ হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় নারায়নগঞ্জে পুলিশ লাইনে কর্মরত নারী পুলিশ তানজিনা আক্তার জেমি (২৪) কে আসামী করা হয়। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা থাকায় মামলাটি এফআইআর গন্যে রুজু করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।

মামলা সুত্রে জানা যায়, উপজেলার দুধপাতিল গ্রামের রমিজ উল্লার পুত্র শিবলু মিয়ার সাথে ২০১৭ সালের ২৪ শে জুলাই ৪ লাখ টাকার কাবিনে তার বিয়ে হয়। সংসারে লুৎফুর নাহার তানহা (২) নামের এক কন্যা সন্তান রয়েছে তাদের। বিয়ের পর থেকেই শিবলু ৩ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে শারমিনকে।

এক পর্যায়ে বাবার বাড়ি থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা দিয়ে স্বামীকে একটি মোটরবাইক কিনে দেন শারমিন। এর কিছুদিন পর আরো ৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবী করেন শিবলু অন্যতায় ২য় বিয়ে করার হুমকী অব্যাহত রাখেন। দরিদ্র পিতার পক্ষে এতো টাকা যৌতুক দিতে না পারায় গত ১২ ফেব্রুয়ারী শারনিকে বেধরক মারপিঠ করে পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দেন শিবলু।

শারমিন নিরুপায় হয়ে গত ৮ মার্চ আদালতে মামলা দায়ের করেন। শারমিন এ প্রতিনিধিকে বলেন, তার স্বামী নারায়নগঞ্জ পুলিশ লাইনে কর্মরত তানজিনা আক্তার জেমি নামের এক মেয়েকে তার অমতে বিয়ে করেছেন।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে শিবলু বলেন, তিনি তার স্ত্রী শারমিনকে কোর্টে তালাক দিয়েছেন। তিনি ২য় বিয়ের বিষয়ে কোন কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।

চুনারুঘাট থানার ওসি এম আশরাফ বলেন,বিজ্ঞ আদালতের আদেশে তার দপ্তরে পৌছেছে। এফআইআর করে মামলার তদন্ত চলছে। সহসাই এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। শিবলু মিয়া সিলেট পুলিশ লাইনে কর্মরত।