হাত বাড়ালেই মিলছে নিষিদ্ধ গাইডঃদেখার কেউ নেই ?

    0
    248

    আমারসিলেট24ডটকম,৩১জানুয়ারী,মতিউর রহমান মুন্নাঃ নবীগঞ্জে হাত বাড়ালেই মিলছে নিষিদ্ধ গাইড বই। শুধু লাইব্রেরিতে নয়, বিভিন্ন প্রাইমারী স্কুলে ও বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ গাইড ও নোটবই। কিন্তু এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা ও নজর নেই প্রশাসনের। ফলে লাইব্রেরি ব্যবসায়ীরা নির্বিঘেœ ও স্বাচ্ছেন্দ্যে নিষিদ্ধ গাইড বইয়ের ব্যবসা করে যাচ্ছেন।
    সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি চালু করার মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার মানোন্নয়ন করা হলেও সরেজমিনে নবীগঞ্জ শহরের ওসমানী রোড়ে, জে.কে হাই স্কুল রোড়ে ও কলেজ রোডেরসহ শহরের বিভিন্ন লাইব্রেরি ঘুরে দেখা যায়, লেকচার, জুপিটার, পাঞ্জেরী, অনুপম, গ্যালাক্সি, নিউ পপি, নিউ স্টার, মেগদুত, মিশন, কম্পিটার, স্টার ও নেপচুনসহ বিভিন্ন প্রকাশনীর নোট ও গাইড বই লাইব্রেরিগুলোতে স্তরে স্তরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

    প্রকাশ্যে চলছে নিষিদ্ধ বইয়ের রমরমা ব্যবসা। এসব দেখার যেন কেউ নেই..? গাইড বই কিনতে আসা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সাথে আলাপ করে জানা যায়- বিভিন্ন স্কুল থেকে শিক্ষার্থীদের এসব গাইড কিনতে চাপ দেয়া হচ্ছে।

    নির্দিষ্ট প্রকাশনীর গাইড বই না কিনলে স্কুলে শিক্ষার্থীদেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করছেন শিক্ষকরা। এবং বাজার থেকে কম দামে গাইড বই কিনে নিয়ে গ্রামের বিভিন্ন প্রাইমারী স্কুলে বেশি দামে বিক্রি করেন এক শ্রেণির শিক্ষকরা। এসব বিষয়ে প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। এতে শিক্ষার মান নিুমুখি হওয়ার আশংকা করছেন সচেতন মহল।
    এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ শহরের এক লাইব্রেরি ব্যাবসায়ী বলেন , “ভাই আমাদের কিছু করার নাই, ঢাকা কারখানায় বই তৈরি করতাছে আমরা কিনে এনে বিক্রি করি। যদি ঢাকা বন্ধ করা হতো তাহলে আর আমরাও বন্ধ থাকতাম।”
    লাইব্রেরিতে ও বিভিন্ন প্রাইমারী স্কুলে গাইড ও নোট বিক্রির ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকের সাথে ফোন করে প্রতিবেদকের পরিচয় দিয়ে প্রশ্নটি করার পর তিনি গাড়িতে আছেন ফোন কেটে দেন। পরে আর ফোন রিসিভ করেনন্নি
    এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ইউএনও স্যারের সাথে আলাপ করে এবিষয়ে একটা ব্যবস্থা গ্রহন করব”।