১৪৫০ বছর আগের “সাহাবী গাছ”

    1
    645

    আমার সিলেট  24 ডটকম,২২অক্টোবরছবিতে যে গাছটি দেখতে পাচ্ছেন তা কোনো সাধারণ গাছ নয়। আজ থেকে প্রায় ১৪৫০ বছর আগের ঘটনা এটি। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (দঃ) এর বয়স যখন ১২ বছর ছিল তখন,এই গাছটি তাঁকে আল্লাহ তা’আলার ইশারায় নিরাপদ আশ্রয় দান করেছিল। আজও সেই গাছটি বেঁচে আছে। এই গাছটি একমাত্র জীবিত “সাহাবী গাছ” হিসাবে পরিচিত!! গাছটি জর্ডানের এক মরুভূমী এলাকায় অবস্থিত। আরেকটি অবাক করার মত ব্যপার হল  গাছটির শত বর্গ কিলোমিটার এলাকায় এটি ছাড়া আর কোনো গাছ নেই।

    এই গাছটির নিচে কখনো কেহ বসতে পারতনা ! তখন গাছটিতে কোন পাতা ও ছিলনা! নবী করিম (দঃ) ছেলেবেলায় তার চাচার সাথে জর্ডানে যান এবং পথ চলতে চলতে এই গাছটির নিচে বসেন। বসার সাথে সাথে গাছটিতে পাতা গজায়! দূরে জারজিস ওরফে বুহাইরা নামের একজন খৃষ্টান পণ্ডিত থাকতেন তিনি নবীজির চাচার কাছে এসে বললেন আমি এতদিন এখানে আছি কেহ এই গাছের নিচে বসতে পারেনি এবং এই গাছের কোন পাতা ও ছিল না।

    খৃষ্টান পন্ডিত জিজ্ঞেস করলেন- এই ছেলেটির নাম কি ? চাচা বললেন মোহাম্মদ(দঃ)! আবার জিজ্ঞস করলেনঃ- বাবার নাম কি ? আব্দুল্লাহ(রাঃ)  ! মাতার নাম ? আমিনা(রাঃ)! বালক মুহাম্মাদ (দঃ) কে দেখে, তার সাথে কথা বলে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পাদ্রীর চিনতে আর বাকী রইলো না যে, এই সে বহু প্রতিক্ষীত শেষ নবী, ইতিহাসের গতি পরিবর্তকারী, আরবসহ সমগ্র পৃথিবী থেকে পৌত্তলিকতার বিনাশকারী, একত্ববাদকে শক্ত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠাকারী। সাথে সাথে খৃষ্টান পন্ডিত বললেন আমি পড়েছি তিনি হলেন ইসলাম ধর্মের শেষ নবী। সুত্র,মুহাম্মাদ নুরনবি নামক ফেইসবুক থেকে সংগৃহীত।