৩০৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিতঃবাকি গুলোর গণনা চলছে

    0
    187

    আমারসিলেট24ডটকম,০৫জানুয়ারীঃ  আজ ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে ১৬ জেলায় ৩০৯ টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। আগুনে কেন্দ্র পুড়ে যাওয়া ও হামলার ঘটনায় এসব কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে বলে ইসি সূত্র থেকে জানা যায়। ভোটে উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। বিরোধী দলের আন্দোলন ও হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে ও নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ১২টি দলের অংশগ্রহণে ভোটগ্রহণ শুরু হয় আজ রবিবার সকাল ৮টায়। দেশের ৫৯টি জেলার ১৪৭ আসনে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকাল ৪টায়। এখন চলছে সারাদেশে ভোট গণনার কাজ। গণনা শেষে একযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
    ভোট শুরুর ২দিন আগে থেকে দুর্বত্তদের নাশকতার লক্ষ্য হয়ে ওঠে ভোটকেন্দ্রগুলো। আর তাদের দেয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১১১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এবারের নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৮হাজার ২০৮টি। ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ ও ব্যালট পেপার ভস্মীভূত করার কারণে সারাদেশে ৩০৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয় বলে ইসি সূত্র জানা গেছে।তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ৫৯ জেলার নির্বাচনী এলাকায় পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবিসহ সশস্ত্রবাহিনীর সতর্ক অবস্থান ছিল লক্ষ্য করার মতো।বিরোধী দলের অংশগ্রহণ না থাকায় নির্বাচনের ভোটের হার বাড়াতে ছিল ইসির প্রচারণা। ইসির কর্মকর্তারা জানান, দশম সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে মোট ভোটার ৯ কোটি ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ৯৭৭জন। সারাদেশে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৭০৮টি ও ভোটকক্ষ ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮টি। ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ওই সব আসনে ভোটগ্রহণ হবে না।

    দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪৭ আসনে ১২টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা ৩৯০জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আওয়ামী লীগের ১২০, জাতীয় পার্টির ৬৬, জাতীয় পার্টি-জেপির ২৭, গণতন্ত্রী পার্টি ১, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির ৬, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ১৬, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের ২১, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের ৩, গণফ্রন্টের ১, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ২, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ১, বিএনএফের ২২ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ১০৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
    কমিশনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এ নির্বাচনে ১ হাজার ১০৭ জন প্রার্থী হয়েছিলেন। এর মধ্যে এর মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হয় ২৩০ জনের। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন ৩৩৪ জন। আর বৈধ প্রার্থী ছিল ৫৪৩ জন। তার থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৩ জন নির্বাচিত হন। বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ৩৯০ জন। এর আগে সর্বোচ্চ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪৯ জন নির্বাচিত হয়েছেন।