জৈন্তাপুরে পুলিশের অভিযানে বিয়ে পন্ড

    0
    298

    রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুরে বাল্য বিয়ে পন্ড করল থানা পুলিশ। ভ্রাম্যমান আদালতে মোছলেখা দিয়ে মুক্তি, বয়স পূর্ণ হলে বিয়ে।
    সিলেটের জৈন্তাপুরে বাল্য বিয়ের প্রক্কালে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের তৎপরতায় পন্ড করে দেয় পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে পুলিশ জানতে পারে উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের করগ্রামে একটি বাল্য বিয়ে হচ্ছে। সংবাদের প্রেক্ষিতে বাল্য বিয়ে রুখতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহারের তৎপরতায় বাল্য বিয়ে পন্ড করে বর কন্যাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

    জানা যায় দরবস্ত ইউনিয়নের পূর্ব ভাইটগ্রামের মৃত নূর ইসলামের ছেলে শহীদ আহমদ (২০) এর সাথে একই ইউনিয়নের করগ্রামের জালাল উদ্দিনের মেয়ে জেসমিন আক্তার (১৭) বিয়ের আয়োজন চলে। পুলিশের কড়া বাঁধা য় ইউপি চেয়ারম্যান বিয়ে বন্ধ করে বর-কনেকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

    গতকাল বিকাল ৩টায় পুলিশ ভ্রাম্যমান আদালতে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ে তাদেরকে হাজির করে। নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরিন করিমের সম্মুখে বর-কন্যা উভয় পক্ষের অভিভাবকগন বাল্য বিয়ে একটি সামাজিক অপরাধ স্বীকার করেন এবং উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার অঙ্গীকার করে ভ্রাম্যমান আদালতকে মোছলেখা দেন। ভ্রাম্যমান আদালতে ভূল স্বীকার করায় আদালত পূর্ণবয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার ঘোষনা দেন এবং বর কন্যাকে নিজ নিজ অভিবাবকের জিম্মায় দেন।

    এবিষয়ে অফিসার ইনচার্জ শ্রামল বনিক বলেন, গোপন সংবাদে খবর পেয়ে আমি ইউপি চেয়ারম্যানের সহায়তায় বাল্য বিয়েটি বন্ধ করি বর-কন্যাকে ভ্রাম্যমান আদালতে প্রেরন করি। আমরা উপজেলা বাল্য বিবাহ বন্ধে সর্বাত্মক চেষ্টা করব।
    নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট মৌরীন করিম বলেন- বাল্য বিয়ে বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সোচ্ছার রয়েছে। সংবাদ পেয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে পুলিশ বিয়ে পন্ড করে দিয়েছে। আমি উপজেলাবাসীকে সর্তক বার্তা পৌছে দিচ্ছি পরবর্তীতে কেউ এরকম বাল্য বিয়ের আয়োজন করেন বা বাল্য বিয়ে দিতে উৎসাহ দেন তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে এসে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।