শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় গরু চুরি করতে গিয়ে স্থানীয় জনতার হাতে হাতেনাতে এক চোর আটক হয়েছে। পরে পুলিশকে খবর দিয়ে তাকে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার ২নং ভূনবীর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ভীমসী গ্রাম সংলগ্ন ক্লোলেন বাগান ৬নং সেক্টর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভীমসী এলাকায় গরু চুরি করতে গেলে স্থানীয় জনতা ওই চোরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ২নং ভূনবীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রশিদ তালুকদার। এসময় অন্যান্যের মধ্যে ১নং ওয়ার্ড মেম্বার তাহির মিয়া, মরম আলী, ফারুক মিয়াসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘ দিন ধরে ভীমসী ও আশপাশের এলাকায় গরু চুরির উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। বহু চেষ্টার পর অবশেষে চোর হাতেনাতে আটক হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পরবর্তীতে ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আটককৃত গরু চোরকে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় শ্রীমঙ্গল থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে (মামলা নং- ৮, তারিখ: ০২/১০/২০২৬)।
আটককৃত গরু চোর হলো— আবেদ আলী (২২), পিতা: সিরাজ আলী, সাং: হরিতলা, উপজেলা: বাহুবল, জেলা: হবিগঞ্জ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মিয়া নাসির জানান, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক চোর চুরির কথা স্বীকার করেছে। তবে তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো থানায় বা পূর্বে কোনো মামলা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ২নং ভূনবীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রশিদ তালুকদারের সাথে কথা হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গরিব মানুষগুলো অনেক কষ্ট করে দিনরাত পরিশ্রম করে গরু লালন-পালন করে, অথচ চোরেরা সুযোগ বুঝে সেগুলি চুরি করে নিয়ে যায়। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব, এই চক্রের মূল হোতাদের গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করার পাশাপাশি স্থানীয় যারা এর সাথে জড়িত, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক, যাতে এই অঞ্চলে ভবিষ্যতে আর কখনো গরু চুরির ঘটনা না ঘটে।”
Subscribe to Updates
Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.
