সামছুল ইসলাম, জুড়ী (মৌলভীবাজার) : মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) উপজেলার পূর্ব জুড়ী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রিতা রুদ্র পাল (৩৩) দুই সন্তানের জননী এবং গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত স্বামী পিন্টু রুদ্র পালকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ ও মনোমালিন্য চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। এ সময় পিন্টু রুদ্র পাল ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর গলায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই রিতা রুদ্র পালের মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর অভিযুক্ত পিন্টু রুদ্র পাল জুড়ী থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
পূর্ব জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রুহেল উদ্দিন বলেন, “স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটেছে। তবে তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”
জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
