সিলেট বিভাগ, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (নিজস্ব সংবাদ):
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করায় নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি চলছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতোমধ্যেই নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর শপথ নেওয়ার জন্য ডাক পাঠানো শুরু করেছে। এ তালিকায় বৃহত্তর সিলেট থেকে কয়েকজন জনপ্রতিনিধিও রয়েছে।
পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে ডাক পাওয়া
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর, সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি — তাকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় ডাক দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সরাসরি মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা পাচ্ছেন।
আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী
সিলেট বিভাগের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে যে নীচের নেতাদের নাম নতুন মন্ত্রিসভায় রাখা হতে পারে (অফিশিয়াল ভাবে ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত নয়)।
আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট-৪ থেকে নির্বাচিত এমপি — জনপ্রিয় নেতা হিসেবে তাকে মন্ত্রিসভায় আনয়নের সম্ভাবনা রয়েছে।
ড. রেজা কিবরিয়া, হবিগঞ্জ-১ থেকে নির্বাচিত এমপি — অর্থনীতি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা থাকায় আলোচনায়।
জিকে গউছ, হবিগঞ্জ-৩ থেকে নির্বাচিত এমপি — দলীয় সাংগঠনিক ক্ষমতা ও সম্প্রদায়ভিত্তিক নেতৃত্ব থাকায় সম্ভাব্য তালিকায়।
হুমায়ুন কবির, বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব — পররাষ্ট্র বিষয়ক দায়িত্বে তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেতে পারেন বলে সূত্রে জানা গেছে।
উবায়দুল্লাহ ফারুক, জমিয়তের নেতা (সিলেট-৫) — টেকনোক্র্যাট কোটায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আশাবাদী, যদিও তার আসন জয়ী হয়নি।
এনামুল হক চৌধুরী, প্রবাসী নেতা — টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে।
পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপট
সিলেট বিভাগে বিএনপি ১৯টি আসনের ১৮টিতে জয় লাভ করেছে এবং দলীয় উচ্চ পর্যায়ে নতুন মন্ত্রিসভায় সিলেট থেকে নেতৃত্ব রাখতে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। যদিও চূড়ান্ত তালিকা ও দপ্তর বণ্টন এখনও ঘোষণা হয়নি, শপথগ্রহণের পর তা প্রকাশ পাবে।
সংক্ষেপে:
সিলেট থেকে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর নিশ্চিতভাবে মন্ত্রিপরিষদে ডাক পেয়েছেন।
অন্য নেতা যেমন আরিফুল হক চৌধুরী, ড. রেজা কিবরিয়া, জিকে গউছ ও হুমায়ুন কবিরসহ অনেকে আলোচনায় আছে, যারা প্রতিমন্ত্রী বা মন্ত্রী হতে পারেন — চূড়ান্ত ঘোষণা শপথের পর অপেক্ষিত।
