নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘পথচলা, আলোর সাথে’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে স্বেচ্ছাসেবী গবেষণা সংগঠন ‘চিন্তার চাষ’-এর উদ্যোগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ১১তম চিন্তার চাষ ক্ষুদে গবেষক সম্মেলন ২০২৬।
সম্মেলনের পুরস্কার বিতরণী পর্বে ‘খ’ গ্রুপের (শিক্ষা) চ্যাম্পিয়ন হয়ে পদক অর্জন করেছে শ্রীমঙ্গলের নটরডেম স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির তিন শিক্ষার্থী শুভাদিত্য বিশ্বাস, স্বর্ণদ্বীপ ও রুদ্র।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সপ্তম থেকে দশম শ্রেণির ৩১৮ জন শিক্ষার্থী সম্মেলনে অংশ নেয়। এতে ১২৮টি গবেষণাপত্র, ধারণাপত্র ও পোস্টার উপস্থাপন করা হয়। জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে সাতটি ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হিসেবে মোট ২৭টি গবেষক দল পদক লাভ করে।
শনিবার সকালে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। তিনি বলেন, নিজের চারপাশের সমস্যা চিহ্নিত করে হাতের কাছে থাকা উপকরণ দিয়ে সমাধানের চেষ্টা থেকেই গবেষণার শুরু হতে পারে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. উপমা কবিরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
‘চিন্তার চাষ’-এর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মেলনের আহ্বায়ক ও সংগঠনটির পরিচালক জাহিদুল ইসলাম সম্মেলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
তিন শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন
শ্রীমঙ্গলের তিন শিক্ষার্থী জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য, আরপি নিউজের সম্পাদক ও কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান।
অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, এ অর্জন শুধু তিন শিক্ষার্থীর নয়; এটি শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজারের জন্যও গৌরবের। তাদের সাফল্য অন্য শিক্ষার্থীদের গবেষণা, জ্ঞানচর্চা ও সৃজনশীল কাজে উৎসাহিত করবে।
তিনি বলেন, গবেষণার জন্য বয়স কোনো বাধা নয়। ছোট বয়সে প্রশ্ন করার অভ্যাস, নতুন কিছু জানার আগ্রহ এবং সমাজ ও মানুষের সমস্যা নিয়ে ভাবার মধ্য দিয়েই ভবিষ্যতের গবেষক ও উদ্ভাবকের ভিত তৈরি হয়।
শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করে গড়ে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
