সালেহ আহমদ (স’লিপক): হবীগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’-এ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ মে) সকালে গ্রন্থাগারের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ফোরামের সাবেক সহ-সভাপতি জনি দাশের সভাপতিত্বে এবং পাঠক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক জয় দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা, কবিতা আবৃত্তি ও পাঠ অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের বিভিন্ন রচনা থেকে পাঠ করেন পাঠক ফোরামের দপ্তর সম্পাদক ও গ্রন্থাগারিক রুদ্র কিশোর দাশ প্রান্ত, সদস্য খোকন দাশ, প্রচার সম্পাদক দীপ দাশ, সদস্য সূর্য দাশ, শাওন দাশ, জিৎ দাশ, দীপ শেখর দাশ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলা সাহিত্যের অবিসংবাদিত পুরুষ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর লেখনীর মাধ্যমে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি কেবল কবি বা সাহিত্যিকই নন, ছিলেন একাধারে দার্শনিক, সুরকার, চিত্রশিল্পী ও মানবতাবাদী। তাঁর অমর সৃষ্টি ‘গীতাঞ্জলি’ বাংলা সাহিত্যকে এনে দিয়েছে প্রথম নোবেল পুরস্কারের গৌরব।
বক্তারা আরও বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তিনি সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা বলেছেন এবং হিন্দু-মুসলমানের সম্প্রীতির সেতুবন্ধন রচনা করেছেন। অন্যায়, অবিচার ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তাঁর লেখনী ছিল প্রতিবাদের শক্তিশালী ভাষা। বর্তমান সময়েও নজরুলের আদর্শ ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি বলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।
