আমার সিলেট ডেস্ক: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দস্যুতা মামলায় আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এ মামলায় এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণের চেইন, একটি স্মার্টফোন ও ঘটনায় ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুনের দিকনির্দেশনায় এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ পারভেজ ভূঁইয়া, এসআই বাবলু কুমার পাল ও এসআই দিপংকর হালদার সঙ্গীয় ফোর্সসহ এ অভিযান পরিচালনা করেন।
পুলিশ জানায়, গত ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দায়ের করা শ্রীমঙ্গল থানার মামলা নং-২২ (জিআর নং-৩০০), দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারার দস্যুতার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. ইমরান আহমেদ (২৯) ও মো. ইসমাইল মিয়া (২৫) নামে দুজনকে ১৫ অক্টোবর গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ইমরান আহমেদ শ্রীমঙ্গলের আশীদ্রোন ইউনিয়নের ভুজপুর এলাকার মো. ইব্রাহীম মিয়ার ছেলে এবং ইসমাইল মিয়া সিন্দুরখান ইউনিয়নের পূর্ব লাহারপুর, উদনারপাড় এলাকার জয়দুল হোসেনের ছেলে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল হিসেবে একটি স্বর্ণের চেইন, শাওমি ব্র্যান্ডের রেডমি-৯ মডেলের একটি স্মার্টফোন এবং ঘটনার সময় ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনার ধারাবাহিকতায় গত ৩১ অক্টোবর মামলার সঙ্গে জড়িত অপর আসামি মো. কাউসার আহমেদ সবুজ (৩৬)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার জামসী এলাকার মো. সেলিম খানের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও দস্যুতাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে পুলিশের দাবি।
পরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের যথাযথ পুলিশি নিরাপত্তায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানায় শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ।
